শাহজাদপুর সংবাদ

শাহজাদপুরে মাদক কারবারির বাড়ি ভাঙচুর

৪ জুলাই, ২০২৬ এ ১:০০ PM

শাহজাদপুরে মাদক কারবারির বাড়ি ভাঙচুর

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে এক মাদক কারবারির বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে উপজেলার হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়নের ডায়া খাঁপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ওই এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ডায়া খাঁপাড়ার রুবেল হোসেনের স্ত্রী (৩৮) দীর্ঘদিন ধরে মাদকের কারবারে জড়িত। মাদক কারবারের পাশাপাশি বাড়িতে অনৈতিক কার্যকলাপ চালাতেন। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা একাধিকবার প্রতিবাদ করেছেন, কিন্তু কাজ হয়নি। ওই নারী একাধিকবার গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানান, মাদক কারবারের কারণে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অস্থিরতা বিরাজ করছিল। অনেক পরিবার সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুলিশের ওপর কোনো আস্থা নেই। পুলিশ ধরলেও দুই দিন পর ওই নারী বের হয়ে আসেন। এ জন্য বিক্ষুব্ধ জনতা তাঁর বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে।

শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।’

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শাহজাদপুর সার্কেল) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘মাদক কারবারিদের দমনের নামে কারও বাড়ি ভাঙচুর করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। কাউকে আইন হাতে তুলে নিতে দেওয়া হবে না।’

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার সাগুরিয়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে হোটেল, গুদামঘর, বসতঘরসহ সাতটি ঘর পুড়ে গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে উপজেলার সাগুরিয়া বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

সাইবার সুরক্ষা আইন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা একাধিক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. হেলাল মিয়াকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। সোমবার দিবাগত রাতে ভূল্লী থানার কচুবাড়ি হাটপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কুমিল্লার দেবিদ্বারে আলোচিত ফরিদা ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডের তৃতীয় দিনে হত্যায় ব্যবহৃত দা ও নিহতের স্বর্ণালংকার উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এখনো উদ্ধার হয়নি নিহতের মরদেহের হাত ও পায়ের অংশ। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

‘বড় ছাওয়াল গেছে সাত বছর হচ্ছে, আর মেজো ছাওয়াল গেছে দুই বছর। কোনোদিনও ছুটিতে আসেনি। ছাওয়ালটা বলছিল, “মা, কষ্ট করে খেয়ে দেনা শোধ করছি কেবল। বাড়ির কাজটা শুরু করছি, বাড়ি এসে বিল্ডিংয়ের কাজটা শেষ করব।” আমার বাবার আর বাড়ি আসা হলো না। কী সর্বনাশ হলো বাবা আমার।’

সূত্র: Ajker Patrika

সম্পর্কিত সংবাদ

শাহজাদপুরে মাদক কারবারির বাড়ি ভাঙচুর | শাহজাদপুর সংবাদ