শাহজাদপুর সংবাদ

‘মজলুম জননেতা’ বলা হয় ভাসানীকে

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ১০:২০ AM

‘মজলুম জননেতা’ বলা হয় ভাসানীকে

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়: বিস্তৃত প্রশ্ন

অধ্যায়-৪

প্রশ্ন: মওলানা ভাসানীকে কেন ‘মজলুম জননেতা’ বলা হয়? ইতিহাসের স্মরণীয় নেতাদের জীবনী থেকে কী কী আদর্শ গ্রহণ করতে পারো?

উত্তর: ‘মজলুম’ শব্দের অর্থ নির্যাতিত বা নিপীড়িত। মওলানা ভাসানী সারা জীবন নির্যাতিত মানুষের জন্য কাজ করেছেন। তাই তাঁকে ‘মজলুম জননেতা’ বলা হয়।

ইতিহাসের স্মরণীয় নেতাদের জীবনী থেকে আমরা নিচের আদর্শগুলো গ্রহণ করতে পারি—

১. অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা।

২. সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করা।

৩. দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা রাখা।

৪. সাহস, সততা ও ত্যাগের আদর্শ অনুসরণ করা।

৫. জাতি-ধর্ম–নির্বিশেষে সব মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সহনশীল হওয়া।

৬. সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করা।

প্রশ্ন: মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী কত সালে কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? তাঁর রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো বর্ণনা করো। উত্তর: মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো হলো—

১. ১৯১৯ সালে ব্রিটিশবিরোধী অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনে যোগদানের মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়।

২. আসামের ধুবড়ি অঞ্চলের বাঙালি কৃষকদের স্বার্থরক্ষার জন্য আন্দোলন করেন এবং কৃষকদের জন্য বাঁধ নির্মাণ করেন।

৩. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

৪. বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের পটভূমি তৈরিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করেন।

প্রশ্ন: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কত সালে ও কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? তাঁর রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো বর্ণনা করো।

উত্তর: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৮৯২ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা—

১. সোহরাওয়ার্দী ছিলেন একজন দক্ষ রাজনৈতিক সংগঠক।

২. তিনি কলকাতা খেলাঘর কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

৩. তিনি স্বল্প সময়ের মধ্যে নার্স, রেল কর্মচারী, পাইলট ও সুতাকল কর্মচারী, রিকশাচালক, গাড়িচালক প্রভৃতি মেহনতি মানুষের প্রায় ৬০টি ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন গড়ে তোলেন।

৪. তিনি কলকাতা কর্পোরেশনের ডেপুটি মেয়র, বাংলা প্রাদেশিক সরকারের শ্রমমন্ত্রী, সরবরাহ মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

৫. জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন।

৬. হিন্দু-মুসলিমদের মিলন ও সংহতি রক্ষায় তিনি সংকল্পবদ্ধ ছিলেন।

প্রশ্ন: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে কেন গুরুত্বপূর্ণ নেতা বলা হয়? তাঁর রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখযোগ্য অবদানগুলো লেখো।

উত্তর:

গুরুত্বপূর্ণ নেতা বলা হয় কেন:

তিনি অসাম্প্রদায়িক গণতন্ত্রেরও গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। হিন্দু-মুসলিমদের মিলন ও সংহতি রক্ষায় তিনি সংকল্পবদ্ধ ছিলেন।

রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখযোগ্য অবদান:

১. সোহরাওয়ার্দী ছিলেন একজন দক্ষ রাজনৈতিক সংগঠক।

২. তিনি কলকাতা খেলাঘর কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

৩. তিনি স্বল্প সময়ের মধ্যে নার্স, রেল কর্মচারী, পাইলট ও সুতাকল কর্মচারী, রিকশাচালক, গাড়িচালক প্রভৃতি মেহনতি মানুষের জন্য প্রায় ৬০টি ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন গড়ে তোলেন।

৪. তিনি কলকাতা কর্পোরেশনের ডেপুটি মেয়র, বাংলা প্রাদেশিক সরকারের শ্রমমন্ত্রী, সরবরাহমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

৫. জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন।

রাবেয়া সুলতানা, িশক্ষকবিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, ঢাকা

সূত্র: প্রথম আলো

সম্পর্কিত সংবাদ