শাহজাদপুর সংবাদ

সিরাজগঞ্জে ৯.৬ ডিগ্রি তাপমাত্রায় জনজীবন বিপর্যস্ত

৪ জানুয়ারি, ২০২৬ এ ১২:৫০ PM

সিরাজগঞ্জে ৯.৬ ডিগ্রি তাপমাত্রায় জনজীবন বিপর্যস্ত

রোববার (৪ জানুয়ারি) ভোর ৬টায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বাঘাবাড়িতে শীতের তাপমাত্রা ছিল ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও জেলার তাড়াশ উপজেলায় একই সময় শীতের তাপমাত্রা ছিল ১১.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সে হিসাবে ধরা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলার ৯ উপজেলার গড় তাপমাত্রা ছিল ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এ বিষয়ে বাঘাবাড়ী আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, আজ ভোর ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।এটি মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ ধরা হচ্ছে।

এ বিষয়ে তাড়াশ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, কুয়াশার সঙ্গে হিমেল হাওয়াও বইছে, যে কারণে শীতের তীব্রতা বেশি। আজ ভোর ৬টায় তাড়াশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে বেশি।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে পৌষের এ হাড় কাঁপানো শীতের সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে জেলার অনেক এলাকায় সরিষা ফুলের পরাগায়ন ব্যহত হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে এ বছর সরিষার উৎপাদন হ্রাস পাওয়ার শঙ্কায় কৃষকেরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

অপরদিকে ভোর থেকে সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত জেলার কোথাও সূর্যের দেখা মেলেনি। এতে জনজীবন বেশ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলার সোনাতনীর চরের সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, এ বছর ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ১ বিঘা জমিতে করলা চাষ করেছি। তীব্র শীতে ফলন ভালো না হওয়ায় পুরো টাকাই লোকসান গুনতে হচ্ছে। এখন ঋণ পরিশোধ তো দূরের কথা পরিবার চালাতেই দিশেহারা হয়ে পড়েছি।

একই চরের কাঠমিস্ত্রী আব্দুল করিম বলেন, তীব্র শীতের কারণে হাতে কোনো কাজ নেই। তাই খুব অভাবে আছি।

ওই চরের পল্লি চিকিৎসক জিয়া উদ্দিন বলেন, এই তীব্র শীতে শিশুদের শীত জনিত ঠাণ্ডা, জ্বর, কাশি, সর্দি, নিউমনিয়া ও ডায়রিয়ার প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।

শাহজাদপুর শহরের রিকশা চালক রাশেদ আলী বলেন, কয়েকদিন ধরে তীব্র শীত থাকলেও আজ সকাল থেকে ঘন কুয়াশার সঙ্গে তীব্র শীত পড়েছে। এতে কাজ নেই বললেই চলে। শহরে অনেক মানুষ ঘুরতে আসে। কিন্তু শীতের কারণে শহরে মানুষের সংখ্যা খুব কমে গেছে।

ব্যাটারিচালিত রিকশা চালক আজম সরদার বলেন, সকাল থেকে বসে আছি, কোনো ভাড়া পাচ্ছি না। এভাবে চলতে থাকলে সংসার চালানো দায় হয়ে পড়বে।

সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আকিকুন নাহার বলেন, প্রচণ্ড শীতে শিশু ও বয়স্ক মানুষ নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, জ্বরসহ বিভিন্ন ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। দিন দিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ শীত মৌসুমে শিশু ও বৃদ্ধদের বিশেষভাবে সতর্কতার সঙ্গে পরিচর্যার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

রোববার (৪ জানুয়ারি) ভোর ৬টায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বাঘাবাড়িতে শীতের তাপমাত্রা ছিল ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও জেলার তাড়াশ উপজেলায় একই সময় শীতের তাপমাত্রা ছিল ১১.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সে হিসাবে ধরা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলার ৯ উপজেলার গড় তাপমাত্রা ছিল ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এ বিষয়ে বাঘাবাড়ী আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, আজ ভোর ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।এটি মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ ধরা হচ্ছে।

এ বিষয়ে তাড়াশ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, কুয়াশার সঙ্গে হিমেল হাওয়াও বইছে, যে কারণে শীতের তীব্রতা বেশি। আজ ভোর ৬টায় তাড়াশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে বেশি।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে পৌষের এ হাড় কাঁপানো শীতের সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে জেলার অনেক এলাকায় সরিষা ফুলের পরাগায়ন ব্যহত হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে এ বছর সরিষার উৎপাদন হ্রাস পাওয়ার শঙ্কায় কৃষকেরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

অপরদিকে ভোর থেকে সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত জেলার কোথাও সূর্যের দেখা মেলেনি। এতে জনজীবন বেশ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলার সোনাতনীর চরের সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, এ বছর ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ১ বিঘা জমিতে করলা চাষ করেছি। তীব্র শীতে ফলন ভালো না হওয়ায় পুরো টাকাই লোকসান গুনতে হচ্ছে। এখন ঋণ পরিশোধ তো দূরের কথা পরিবার চালাতেই দিশেহারা হয়ে পড়েছি।

একই চরের কাঠমিস্ত্রী আব্দুল করিম বলেন, তীব্র শীতের কারণে হাতে কোনো কাজ নেই। তাই খুব অভাবে আছি।

ওই চরের পল্লি চিকিৎসক জিয়া উদ্দিন বলেন, এই তীব্র শীতে শিশুদের শীত জনিত ঠাণ্ডা, জ্বর, কাশি, সর্দি, নিউমনিয়া ও ডায়রিয়ার প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।

শাহজাদপুর শহরের রিকশা চালক রাশেদ আলী বলেন, কয়েকদিন ধরে তীব্র শীত থাকলেও আজ সকাল থেকে ঘন কুয়াশার সঙ্গে তীব্র শীত পড়েছে। এতে কাজ নেই বললেই চলে। শহরে অনেক মানুষ ঘুরতে আসে। কিন্তু শীতের কারণে শহরে মানুষের সংখ্যা খুব কমে গেছে।

ব্যাটারিচালিত রিকশা চালক আজম সরদার বলেন, সকাল থেকে বসে আছি, কোনো ভাড়া পাচ্ছি না। এভাবে চলতে থাকলে সংসার চালানো দায় হয়ে পড়বে।

সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আকিকুন নাহার বলেন, প্রচণ্ড শীতে শিশু ও বয়স্ক মানুষ নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, জ্বরসহ বিভিন্ন ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। দিন দিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ শীত মৌসুমে শিশু ও বৃদ্ধদের বিশেষভাবে সতর্কতার সঙ্গে পরিচর্যার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy . OK

সূত্র: Jugantor

সম্পর্কিত সংবাদ