শাহজাদপুর সংবাদ

সিরাজগঞ্জে ৪৭ শতাংশ জমিতে খিরা চাষ, দু’লাখ টাকা লাভের স্বপ্ন

৭ নভেম্বর, ২০২৬ এ ৬:১৭ PM

সিরাজগঞ্জে ৪৭ শতাংশ জমিতে খিরা চাষ, দু’লাখ টাকা লাভের স্বপ্ন

রফিকুল ইসলাম,সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বড় পাঙ্গাসী ইউনিয়নের চাকসা গ্রামের কৃষক নেকবার সর্দার। কৃষিকাজই তাঁর জীবিকার প্রধান অবলম্বন। স্বল্প পুঁজি নিয়ে নিজের জমিতে দেশি জাতের খিরা চাষ করেছেন তিনি। ৪৭ শতাংশ জমিতে খিরার আবাদ করে এখন ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য পাওয়ার আশায় দিন গুনছেন এই কৃষক। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বাজারে দাম ভালো পেলে এ খিরা বিক্রি করবে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা লাভের স্বপ্ন দেখছেন তিনি।কৃষক নেকবার সর্দার জানান, খিরা চাষ করতে জমি প্রস্তুত করা থেকে শুরু করে সার, কীটনাশকসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণে এ পর্যন্ত তাঁর প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সীমিত বিনিয়োগে ভালো মুনাফার আশায় তিনি দেশি জাতের খিরা চাষ করেছেন। এখন তাঁর প্রত্যাশা, গাছে ভালো ফলন আসবে এবং বাজারে খিরার চাহিদা ও দাম অনুকূলে থাকবে।কৃষকের ভাষ্য অনুযায়ী, কৃষিকাজে লাভের পাশাপাশি ঝুঁকিও রয়েছে। বিশেষ করে আবহাওয়ার তারতম্য, রোগবালাই ও বাজারদরের ওঠানামা কৃষকের লাভ-লোকসানে বড় প্রভাব ফেলে। খিরার মতো সবজির ক্ষেত্রে উৎপাদন ভালো হলেও বাজারে ন্যায্যমূল্য না পেলে প্রত্যাশিত লাভ ঘরে তোলা কঠিন হয়ে পড়ে। আবার অনুকূল আবহাওয়া ও ভালো বাজারদর পাওয়া গেলে অল্প জমিতেও ভালো আয় করা সম্ভব।নেকবার সর্দারের আশা, তাঁর ৪৭ শতাংশ জমির খিরা ভালোভাবে উৎপাদিত হলে এবং বিক্রির সময় বাজারদর অনুকূলে থাকলে সব খরচ বাদ দিয়ে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা লাভ হতে পারে। তবে এ লাভের হিসাব পুরোপুরি নির্ভর করছে ফলন, উৎপাদন খরচ এবং বিক্রির সময়কার বাজারদরের ওপর।গ্রামবাংলার কৃষিতে সবজি চাষ অনেক কৃষকের জন্য বাড়তি আয়ের সম্ভাবনা তৈরি করছে। স্বল্প জমিতে তুলনামূলক কম পুঁজি বিনিয়োগ করে বেশি লাভের আশায় অনেক কৃষক বিভিন্ন মৌসুমি সবজি আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন। তবে উৎপাদনের পাশাপাশি বাজারজাতকরণ, পরিবহন ব্যয় এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা কৃষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চাকসা গ্রামের কৃষক নেকবার সর্দারের ৪৭ শতাংশ জমির খিরা আবাদও তেমনই একটি সম্ভাবনার গল্প। মাত্র ২০ হাজার টাকার মতো প্রাথমিক খরচে তিনি বড় অঙ্কের মুনাফার প্রত্যাশা করছেন। এখন প্রকৃতি ও বাজার—দুইয়ের অনুকূলতার ওপর নির্ভর করছে তাঁর সেই স্বপ্ন কতটা বাস্তবে রূপ নেয়।কৃষক নেকবার সর্দারের প্রত্যাশা, পরিশ্রমের যথাযথ মূল্য পাবেন তিনি। ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হলে খিরা বিক্রির আয় তাঁর সংসারে স্বস্তি এনে দেবে এবং আগামী মৌসুমে কৃষিকাজে আরও উৎসাহ জোগাবে। এবার উল্লাপাড়া উপজেলায় শর্শা ও খিরার চাষের মধ্যে রয়েছে। গ্রীন বয়, সরিষা গোল্ড, আইস গ্রীন, ময়না মতি, সুফলা-১, আরিশা গ্রীন কিং এবং স্থানীয় দেশী উন্নত জাত ও রয়েছে।এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্না ইয়াসমিন সুমি জানান, উল্লাপাড়া উপজেলাতে গত বছর শর্শা ও খিরা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৬০ হেক্টর। কিন্তু এবার আমরা অর্জন করতে পেরেছি ১২৫ হেক্টর।

রফিকুল ইসলাম,সিরাজগঞ্জ হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার গল্পে সুরের টানে শহরজুড়ে পিছে ছুটেছিল ইঁদুরের দল। সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে কিন্তু কোনো বাঁশি নেই, আছে শুধু এক মানুষের ভালোবাসা ভরা ডাক। […]

রফিকুল ইসলাম,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে জলাবদ্ধতায় ৩শ’ বিঘা আবাদি জমি এখন অনাবাদি হয়ে পড়ে আছে। আবাদি জমি অনাবাদি হওয়ায় প্রান্তিক পর্যায়ের ৩০ জন কৃষকের মাঝে […]

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘আপাদমস্তক নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষী’ আখ্যা দিয়ে অশালীন মন্তব্য করায় কুষ্টিয়ার সংসদ সদস্য […]

সূত্র: Daily Nabochatona

সম্পর্কিত সংবাদ