প্রতিবন্ধীদের জন্য ২২ উপজেলায় পাইলট প্রকল্প: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত
৭ নভেম্বর, ২০২৬ এ ৬:৫৪ PM

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত বলেছেন, প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের অধিকার-স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে দেশের ২২টি উপজেলায় বিশেষ পাইলট প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। পর্যায়ক্রমে এই সেবা দেশের প্রতিটি উপজেলায় সম্প্রসারিত হবে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সিএসএফ সেন্টারে বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবসের ‘আমরা করবো জয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান […]
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত বলেছেন, প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের অধিকার-স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে দেশের ২২টি উপজেলায় বিশেষ পাইলট প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। পর্যায়ক্রমে এই সেবা দেশের প্রতিটি উপজেলায় সম্প্রসারিত হবে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সিএসএফ সেন্টারে বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবসের ‘আমরা করবো জয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা জানান।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনা—বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের এই বিশেষায়িত সেবা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম কেবল শাহজাদপুরে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, সারা দেশের শিশুদের কাছে তা পৌঁছে দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২২টি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যা মাত্র দুদিন আগে বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পেয়েছে। পরবর্তীতে দেশের প্রতিটি উপজেলায় এই মডেল বাস্তবায়ন করা হবে।
আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত উল্লেখ করেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্য দূর করতে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে দুটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং নীতি-নির্ধারণী স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তিনি বিকল্প সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সমন্বয়ে গঠিত ‘অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি’র সভাপতির দায়িত্বেও তিনি রয়েছেন। গত আট মাসে এ সংক্রান্ত কমিটিগুলোর ৪টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া শুরু করেছে।
জাতীয় সংসদে প্রতিবন্ধীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সংসদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সব রাজনৈতিক দলের ১০ জন সংসদ সদস্যকে নিয়ে ‘অল-পার্টি পার্লামেন্টারি ককাস’ গঠন করা হয়েছে, যেখানে তাকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে আইনসভায় প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর অধিকার ও বাজেট বরাদ্দ নিয়ে জোরালো ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
তিনি সরকারের বিভিন্ন কল্যাণমুখী উদ্যোগ তুলে ধরে জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ২২ উপজেলার উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ১০টি জেলায় বিশেষ সেবা কার্যক্রম শুরু করেছে। বর্তমানে প্রায় ৪০ লাখ মানুষ প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন, যা আরও বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে মেট্রোরেলে প্রতিবন্ধীদের জন্য ৫০ শতাংশ ভাড়া ছাড়ের সুবিধা চালু করেছে এবং রেলে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ভাড়া ছাড়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারি চাকরিসহ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত আরো বলেন, “প্রতিবন্ধী মানুষেরা কারো দয়া বা করুণা চান না, তারা রাষ্ট্রের সমান নাগরিক অধিকার চান। সাধারণ নাগরিকদের মতো তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। সেই সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ।”
অনুষ্ঠানে সিএসএফ সেন্টারের শিক্ষক, কর্মকর্তা, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু ও তাদের অভিভাবকবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে প্রতিমন্ত্রী শাহজাদপুরে সেরিব্রাল পালসিতে দিবস উদযাপনে সচেতনতামূলক র্যালিতে অংশ নেন এবং শিশুদের পরিবেশিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত বলেছেন, প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের অধিকার-স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে দেশের ২২টি উপজেলায় বিশেষ পাইলট প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। পর্যায়ক্রমে এই সেবা দেশের প্রতিটি উপজেলায় সম্প্রসারিত হবে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সিএসএফ সেন্টারে বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবসের ‘আমরা করবো জয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা জানান।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনা—বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের এই বিশেষায়িত সেবা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম কেবল শাহজাদপুরে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, সারা দেশের শিশুদের কাছে তা পৌঁছে দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২২টি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যা মাত্র দুদিন আগে বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পেয়েছে। পরবর্তীতে দেশের প্রতিটি উপজেলায় এই মডেল বাস্তবায়ন করা হবে।
আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত উল্লেখ করেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্য দূর করতে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে দুটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং নীতি-নির্ধারণী স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তিনি বিকল্প সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সমন্বয়ে গঠিত ‘অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি’র সভাপতির দায়িত্বেও তিনি রয়েছেন। গত আট মাসে এ সংক্রান্ত কমিটিগুলোর ৪টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া শুরু করেছে।
জাতীয় সংসদে প্রতিবন্ধীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সংসদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সব রাজনৈতিক দলের ১০ জন সংসদ সদস্যকে নিয়ে ‘অল-পার্টি পার্লামেন্টারি ককাস’ গঠন করা হয়েছে, যেখানে তাকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে আইনসভায় প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর অধিকার ও বাজেট বরাদ্দ নিয়ে জোরালো ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
তিনি সরকারের বিভিন্ন কল্যাণমুখী উদ্যোগ তুলে ধরে জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ২২ উপজেলার উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ১০টি জেলায় বিশেষ সেবা কার্যক্রম শুরু করেছে। বর্তমানে প্রায় ৪০ লাখ মানুষ প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন, যা আরও বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে মেট্রোরেলে প্রতিবন্ধীদের জন্য ৫০ শতাংশ ভাড়া ছাড়ের সুবিধা চালু করেছে এবং রেলে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ভাড়া ছাড়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারি চাকরিসহ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত আরো বলেন, “প্রতিবন্ধী মানুষেরা কারো দয়া বা করুণা চান না, তারা রাষ্ট্রের সমান নাগরিক অধিকার চান। সাধারণ নাগরিকদের মতো তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। সেই সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ।”
অনুষ্ঠানে সিএসএফ সেন্টারের শিক্ষক, কর্মকর্তা, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু ও তাদের অভিভাবকবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে প্রতিমন্ত্রী শাহজাদপুরে সেরিব্রাল পালসিতে দিবস উদযাপনে সচেতনতামূলক র্যালিতে অংশ নেন এবং শিশুদের পরিবেশিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]
কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।
হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।
হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।
হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।
তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।
পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।
রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।
তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।
তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।
সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।
সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।
ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।
তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।
পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।
এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।
লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।
তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত বলেছেন, প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের অধিকার-স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে দেশের ২২টি উপজেলায় বিশেষ পাইলট প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। পর্যায়ক্রমে এই সেবা দেশের প্রতিটি উপজেলায় সম্প্রসারিত হবে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সিএসএফ সেন্টারে বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবসের ‘আমরা করবো জয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা জানান।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনা—বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের এই বিশেষায়িত সেবা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম কেবল শাহজাদপুরে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, সারা দেশের শিশুদের কাছে তা পৌঁছে দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২২টি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যা মাত্র দুদিন আগে বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পেয়েছে। পরবর্তীতে দেশের প্রতিটি উপজেলায় এই মডেল বাস্তবায়ন করা হবে।
আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত উল্লেখ করেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্য দূর করতে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে দুটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং নীতি-নির্ধারণী স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তিনি বিকল্প সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সমন্বয়ে গঠিত ‘অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি’র সভাপতির দায়িত্বেও তিনি রয়েছেন। গত আট মাসে এ সংক্রান্ত কমিটিগুলোর ৪টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া শুরু করেছে।
জাতীয় সংসদে প্রতিবন্ধীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সংসদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সব রাজনৈতিক দলের ১০ জন সংসদ সদস্যকে নিয়ে ‘অল-পার্টি পার্লামেন্টারি ককাস’ গঠন করা হয়েছে, যেখানে তাকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে আইনসভায় প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর অধিকার ও বাজেট বরাদ্দ নিয়ে জোরালো ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
তিনি সরকারের বিভিন্ন কল্যাণমুখী উদ্যোগ তুলে ধরে জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ২২ উপজেলার উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ১০টি জেলায় বিশেষ সেবা কার্যক্রম শুরু করেছে। বর্তমানে প্রায় ৪০ লাখ মানুষ প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন, যা আরও বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে মেট্রোরেলে প্রতিবন্ধীদের জন্য ৫০ শতাংশ ভাড়া ছাড়ের সুবিধা চালু করেছে এবং রেলে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ভাড়া ছাড়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারি চাকরিসহ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত আরো বলেন, “প্রতিবন্ধী মানুষেরা কারো দয়া বা করুণা চান না, তারা রাষ্ট্রের সমান নাগরিক অধিকার চান। সাধারণ নাগরিকদের মতো তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। সেই সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ।”
অনুষ্ঠানে সিএসএফ সেন্টারের শিক্ষক, কর্মকর্তা, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু ও তাদের অভিভাবকবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে প্রতিমন্ত্রী শাহজাদপুরে সেরিব্রাল পালসিতে দিবস উদযাপনে সচেতনতামূলক র্যালিতে অংশ নেন এবং শিশুদের পরিবেশিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত বলেছেন, প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের অধিকার-স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে দেশের ২২টি উপজেলায় বিশেষ পাইলট প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। পর্যায়ক্রমে এই সেবা দেশের প্রতিটি উপজেলায় সম্প্রসারিত হবে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সিএসএফ সেন্টারে বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবসের ‘আমরা করবো জয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা জানান।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনা—বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের এই বিশেষায়িত সেবা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম কেবল শাহজাদপুরে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, সারা দেশের শিশুদের কাছে তা পৌঁছে দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২২টি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যা মাত্র দুদিন আগে বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পেয়েছে। পরবর্তীতে দেশের প্রতিটি উপজেলায় এই মডেল বাস্তবায়ন করা হবে।
আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত উল্লেখ করেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্য দূর করতে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে দুটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং নীতি-নির্ধারণী স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তিনি বিকল্প সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সমন্বয়ে গঠিত ‘অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি’র সভাপতির দায়িত্বেও তিনি রয়েছেন। গত আট মাসে এ সংক্রান্ত কমিটিগুলোর ৪টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া শুরু করেছে।
জাতীয় সংসদে প্রতিবন্ধীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সংসদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সব রাজনৈতিক দলের ১০ জন সংসদ সদস্যকে নিয়ে ‘অল-পার্টি পার্লামেন্টারি ককাস’ গঠন করা হয়েছে, যেখানে তাকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে আইনসভায় প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর অধিকার ও বাজেট বরাদ্দ নিয়ে জোরালো ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
তিনি সরকারের বিভিন্ন কল্যাণমুখী উদ্যোগ তুলে ধরে জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ২২ উপজেলার উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ১০টি জেলায় বিশেষ সেবা কার্যক্রম শুরু করেছে। বর্তমানে প্রায় ৪০ লাখ মানুষ প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন, যা আরও বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে মেট্রোরেলে প্রতিবন্ধীদের জন্য ৫০ শতাংশ ভাড়া ছাড়ের সুবিধা চালু করেছে এবং রেলে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ভাড়া ছাড়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারি চাকরিসহ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত আরো বলেন, “প্রতিবন্ধী মানুষেরা কারো দয়া বা করুণা চান না, তারা রাষ্ট্রের সমান নাগরিক অধিকার চান। সাধারণ নাগরিকদের মতো তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। সেই সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ।”
অনুষ্ঠানে সিএসএফ সেন্টারের শিক্ষক, কর্মকর্তা, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু ও তাদের অভিভাবকবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে প্রতিমন্ত্রী শাহজাদপুরে সেরিব্রাল পালসিতে দিবস উদযাপনে সচেতনতামূলক র্যালিতে অংশ নেন এবং শিশুদের পরিবেশিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান। কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক […]
মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান।
কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি তিনি আনারস ও কলাবাগানে ব্যয় করেছেন। আকস্মিক এই ঝড়ে তার সব আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে।
কৃষকদের কাছে কলাগাছের মাজা ভেঙে যাওয়া শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের পরিবারের স্বপ্ন ও জীবিকার হিসাব। আকস্মিক এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষা।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত বলেছেন, প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের অধিকার-স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে দেশের ২২টি উপজেলায় বিশেষ পাইলট প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। পর্যায়ক্রমে এই সেবা দেশের প্রতিটি উপজেলায় সম্প্রসারিত হবে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সিএসএফ সেন্টারে বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবসের ‘আমরা করবো জয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা জানান।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনা—বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের এই বিশেষায়িত সেবা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম কেবল শাহজাদপুরে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, সারা দেশের শিশুদের কাছে তা পৌঁছে দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২২টি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যা মাত্র দুদিন আগে বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পেয়েছে। পরবর্তীতে দেশের প্রতিটি উপজেলায় এই মডেল বাস্তবায়ন করা হবে।
আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত উল্লেখ করেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্য দূর করতে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে দুটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং নীতি-নির্ধারণী স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তিনি বিকল্প সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সমন্বয়ে গঠিত ‘অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি’র সভাপতির দায়িত্বেও তিনি রয়েছেন। গত আট মাসে এ সংক্রান্ত কমিটিগুলোর ৪টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া শুরু করেছে।
জাতীয় সংসদে প্রতিবন্ধীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সংসদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সব রাজনৈতিক দলের ১০ জন সংসদ সদস্যকে নিয়ে ‘অল-পার্টি পার্লামেন্টারি ককাস’ গঠন করা হয়েছে, যেখানে তাকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে আইনসভায় প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর অধিকার ও বাজেট বরাদ্দ নিয়ে জোরালো ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
তিনি সরকারের বিভিন্ন কল্যাণমুখী উদ্যোগ তুলে ধরে জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ২২ উপজেলার উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ১০টি জেলায় বিশেষ সেবা কার্যক্রম শুরু করেছে। বর্তমানে প্রায় ৪০ লাখ মানুষ প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন, যা আরও বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে মেট্রোরেলে প্রতিবন্ধীদের জন্য ৫০ শতাংশ ভাড়া ছাড়ের সুবিধা চালু করেছে এবং রেলে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ভাড়া ছাড়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারি চাকরিসহ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত আরো বলেন, “প্রতিবন্ধী মানুষেরা কারো দয়া বা করুণা চান না, তারা রাষ্ট্রের সমান নাগরিক অধিকার চান। সাধারণ নাগরিকদের মতো তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। সেই সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ।”
অনুষ্ঠানে সিএসএফ সেন্টারের শিক্ষক, কর্মকর্তা, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু ও তাদের অভিভাবকবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে প্রতিমন্ত্রী শাহজাদপুরে সেরিব্রাল পালসিতে দিবস উদযাপনে সচেতনতামূলক র্যালিতে অংশ নেন এবং শিশুদের পরিবেশিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
নাটোরের গুরুদাসপুরে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় শারীরিক প্রতিবন্ধী এক ব্যক্তির ১৯ শতাংশ পৈতৃক ভিটা দখলের চেষ্টা ও সেখানে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে তাঁর চার ভাতিজার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত…
নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটিতে বিদ্যমান চিলাহাটি অটিজম ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে আরেকটি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় স্থাপনের চেষ্টার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল ১১টায়…
সাজেদুল ইসলাম, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মানসিক প্রতিবন্ধী তরুণী মনিজার ধর্ষণকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। শুক্রবার (০৫ জুন) জুমার নামাজের পর উপজেলার রাউৎবাড়ী-জিগাতলা…
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়, তারা আমাদের সম্পদ। তাদের উন্নয়ন ও স্বাভাবিক জীবনযাপন নিশ্চিত করতে সরকার নানামুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। শিক্ষা, চিকিৎসা, ভাতা ও…
সূত্র: https://www.dainiksokal.com/
সম্পর্কিত সংবাদ
সিরাজগঞ্জ মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সুলতান, সম্পাদক দুলু
৭ নভেম্বর, ২০২৬ এ ৮:২৬ PM · Alokito Bangladesh
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে প্রত্যাশিত সিরাজগঞ্জ
৭ নভেম্বর, ২০২৬ এ ৭:৩০ PM · দৈনিক এদিন
সিরাজগঞ্জে ৪৭ শতাংশ জমিতে খিরা চাষ, দু’লাখ টাকা লাভের স্বপ্ন
৭ নভেম্বর, ২০২৬ এ ৬:১৭ PM · Daily Nabochatona
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
৭ নভেম্বর, ২০২৬ এ ৫:০১ PM · দৈনিক সিরাজগঞ্জ সংবাদ
সিরাজগঞ্জে অটোটেম্পু ও অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা,ভোট গ্রহণ ৪ ডিসেম্বর
৭ নভেম্বর, ২০২৬ এ ৪:২৮ PM · দৈনিক সিরাজগঞ্জ সংবাদ
৪৫ বছরেও মানুষের হৃদয় থেকে মুছে যায়নি বিএনপি: এমপি আনু
৭ নভেম্বর, ২০২৬ এ ৪:০৪ PM · দৈনিক সিরাজগঞ্জ সংবাদ
