শাহজাদপুর সংবাদ

সিরাজগঞ্জে ট্রাক ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন নিহত

১৯ আগস্ট, ২০২৬ এ ৬:০২ AM

সিরাজগঞ্জে ট্রাক ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন নিহত

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্রাক ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনার কারণে দুই জনের মৃত্যু ঘটেছে। এছাড়া, এই ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ভোরে সাড়ে ৪টার সময়ে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের পাটধারী বাজারের এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত পিকআপচালক রেজওয়ান হোসেন (৩৫) নাটোরের সিংড়া উপজেলার গোয়ালবাতান গ্রামের বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। অপরদিকে, দুধ ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন (৩০) বগুড়া সদর থানার হেলেনসা পাড়ার বাসিন্দা।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা যায়, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বিপরীত দিক থেকে আসা রডবোঝাই একটি ট্রাকের সঙ্গে পিকআপটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই সংঘর্ষের ফলে পিকআপের যাত্রী সাদ্দাম হোসেন মোতাবেক ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আহত রেজওয়ান হোসেনকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন সাদ্দামের মরদেহ নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন, যার ফলে মহাসড়কের উভয় পাশে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয় এবং দু ঘণ্টা ধরে যান চলাচল বন্ধ থাকে।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্রাকটি আটক করে। পরে সলঙ্গা থানা পুলিশের সহযোগিতায় স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে অবরোধ তুলে দেওয়া হয়। অবশেষে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সড়কটিতে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতার কারণে পদত্যাগের বিষয়ে ভাবনা করছেন। তিনি দীর্ঘ সময় ধরেই শারীরিকভাবে অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন। পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান জানিয়েছেন যে, অসুস্থতার জন্য তিনি দায়িত্ব পালন করতে আগ্রহী নন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এস এম মতিউর রহমান বলেন, চেয়ারম্যান দীর্ঘ সময় ধরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় থাকায় দায়িত্ব পালন করতে তাঁর ইচ্ছা নেই। এই অবস্থায় তিনি পদত্যাগের বিষয়ে ভাবছেন।

একটি গণমাধ্যমকে অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম বলেন, পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে তিনি কিছু বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, “হলে জানবেন।”

তবে পদত্যাগ নিয়ে অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে এখনও কোন প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৪ সালের অক্টোবরে অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমকে সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ট্রাফিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে হাইওয়ে পুলিশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু করেছে। এখন থেকে মহাসড়কের নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম, উল্টো পথে চলাচল, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং এবং অন্যান্য ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানা আরোপ করা হবে, এই তথ্য জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনাঘাটে অবস্থান করে হাইওয়ে পুলিশ কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল মনিটরিং সেন্টারে আধুনিক এআই ক্যামেরা ভিত্তিক ‘অটো ফাইন সিস্টেমের’ উদ্বোধন করেন তিনি এবং প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হাইওয়ে পুলিশ একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পর্যন্ত মহাসড়ককে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির আওতায় আনতে ইতোমধ্যে ১ হাজার ৪২৭টি এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, গাড়ি যদি নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করে, ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করে, উল্টো পথে চলে অথবা নিষিদ্ধ স্থানে ওভারটেকিং করে তবে ক্যামেরা এটি শনাক্ত করবে এবং জরিমানা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরোপ করা হবে।

তিনি আরও জানান, জরিমানার তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে বিআরটিএর ডাটাবেজে চলে যাবে এবং এরপর গাড়ির নিবন্ধিত মালিকের মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানো হবে। মালিক অনলাইনে কিংবা মোবাইলের মাধ্যমে সহজেই জরিমানার অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন। যদি কেউ বারংবার আইন লঙ্ঘন করে তবে নিবন্ধন বাতিলের বিষয়টি বিআরটিএর বিদ্যমান আইন অনুযায়ী বিবেচনা করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, নতুন এই উদ্যোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হাইওয়ে পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে সড়কে আইন মানার প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে এবং দুর্ঘটনা কমবে বলেও সরকারের আশা।

অনুষ্ঠানে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ফেডারেশনের সভাপতি ও সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা।

উল্লেখ্য যে, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মহাসড়কে ট্রাফিক শৃঙ্খলা জোরদার করা এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ভিত্তিক ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু করা হয়েছে।

টানা তিন দিন বৃদ্ধির পর বিশ্ববাজারে আবারও কমেছে সোনার দাম। মার্কিন ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি নোটের ইল্ড বেড়ে যাওয়া এবং বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ার চাপেই মূলত মূল্যবান এই ধাতুর মূল্যে হঠাৎ পতন দেখা গেছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ড বা আউন্সপ্রতি সোনার দাম ০.৪ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৩৯৭ দশমিক ৪২ ডলারে নেমে এসেছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ডিসেম্বরে সরবরাহের চুক্তিতে ফিউচার মার্কেটেও মার্কিন সোনার দাম ০.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৫২ দশমিক ৯০ ডলারে স্থির হয়।

বাজার বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, মার্কিন ট্রেজারি ইল্ড বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সুদহীন সম্পদ হিসেবে সোনার প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কিছুটা কমেছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক উত্তেজনা ও তেলের দাম বাড়ার প্রভাবে দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) সুদের হার উঁচুতে রাখতে পারে—এমন শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সুদের হার বেশি থাকলে সোনা ধরে রাখার খরচ বেড়ে যায়।

আন্তর্জাতিক আর্থিক পরিষেবা সংস্থা এএনজেডের বিশ্লেষক সোনি কুমারী বলেন, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তেলের বাজারের অস্থিরতা সোনার ওপর উল্টো চাপ সৃষ্টি করছে। তবে ফেডের নীতিগত সুদের হারের সিদ্ধান্ত এবং আগাম বার্তা কোন দিকে যায়, তার ওপরই সোনার পরবর্তী বাজারগতি নির্ভর করবে।

সোনার পাশাপাশি বিশ্ববাজারে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামেও পতন দেখা গেছে। স্পট সিলভার বা রুপার দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৫ দশমিক ৩২ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম ০.৬ শতাংশ কমে ১ হাজার ৭৫৯ দশমিক ৬৩ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩২৫ দশমিক ৪৭ ডলারে।

ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও পরিবেশবান্ধব ও যাত্রীবান্ধব করার লক্ষ্যে ২০০টি বৈদ্যুতিক বাস (ইভি বাস) কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে নারীদের জন্য ১০০টি বাস পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যা বিভিন্ন রুটে চলবে। এই তথ্য জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বিশেষত, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে বিআরটিসি আয়োজিত ‘মহিলা বাস সার্ভিস (পিংক বাস)’ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব বিষয়ে আলোচনা করেন। সড়কমন্ত্রী আরও জানান, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী এসব বাস সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কেনা হবে। প্রকল্পের মাধ্যমে বাস কেনার জন্য অনুমোদন, টেন্ডারসহ আন্তর্জাতিক ক্রয়প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য অন্তত দেড় বছর সময় লাগতে পারে।

পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন দ্রুত চালুর লক্ষ্যেই সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় যাওয়ার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ফসিল ফুয়েলের উপর নির্ভরতা কমিয়ে পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ইভি বাস এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকায় মাল্টিমোডাল যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেও এগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ২০০টি ইভি বাসের মধ্যে ১০০টি থাকবে নারীদের জন্য, যা বিভিন্ন রুটে প্রদান করা হবে। এর ফলে নারী যাত্রীদের জন্য বাসসেবার পরিধি ব্যাপকভাবে বাড়বে। বর্তমানে কয়েকটি জেলায় নারীবান্ধব বাসসেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও ভবিষ্যতে অন্যান্য বিভাগেও এ সেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সড়কমন্ত্রী বলেন, নারীদের জন্য ১৪টি বাস ১৩টি রুটে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ১০টি রুটে ১০টি বাস চলবে, যেখানে একটি বাস একতলা এবং বাকি নয়টি হচ্ছে দ্বিতল। চট্টগ্রামে একটি রুটে দুটি দ্বিতল বাস এবং বগুড়ায় দুটি রুটে দুটি দ্বিতল বাস চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। শেখ রবিউল আলম বলেন, নারী যাত্রীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে, যেন শুধুমাত্র বাসে ওঠার পর নয়, অপেক্ষার সময় এবং বাস থেকে নামার সময়ও তারা নিরাপদে থাকেন। বাসে ওঠা-নামার সময়ে হয়রানি, অস্বস্তি অথবা অনিরাপদ পরিস্থিতি তৈরি হলে নারীরা গণপরিবহন ব্যবহার করতে অনীহা প্রকাশ করে। তাই নারীদের জন্য নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব বলে তিনি মন্তব্য করেন। দেশের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। রাষ্ট্র বিনির্মাণ ও অর্থনীতিতে নারীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। নারীরা যাতে তাদের সক্ষমতা রাষ্ট্রের প্রয়োজনে কাজে লাগাতে পারেন, সেই জন্য নিরাপদ যাতায়াতের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

বিআরটিসির বর্তমান ব্যবস্থাপনা নিয়েও আলোচনা করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, সংস্থাটি বর্তমানে ৫০০টির বেশি বাস পরিচালনা করছে এবং মোট বাসের সংখ্যা ১ হাজার ২০০-এর কাছাকাছি অথবা তারও বেশি। বর্তমানে বিআরটিসি লোকসানে নেই, বরং ব্রেক-ইভেন অবস্থায় রয়েছে। তবে সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা, অপারেশন ও সেবার মানে পরিবর্তন আনার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। নারীদের জন্য চালু করা বাসসেবা যাতে অতীতের বিভিন্ন উদ্যোগের মতো কয়েক মাস পর বন্ধ হয়ে না যায় সে সম্পর্কে সতর্ক থাকার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। মন্ত্রী আরো বলেন, আজ যে সেবা চালু হচ্ছে, দুই মাস পর এর মান আরও বাড়াতে হবে। প্রতিদিন ব্যবস্থাপনার উন্নতি করে সেবাকে আরও নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব করতে হবে। এই উদ্যোগকে উদ্বোধনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না।

সেবাটি ধরে রাখা, টেকসই করা, সমৃদ্ধ করা এবং ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত করাই বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রস্তুত রয়েছেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ, সড়ক সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, বিআরটিসি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা প্রমুখ।

সূত্র: crimebdonline.com

সম্পর্কিত সংবাদ