শাহজাদপুর সংবাদ

শাহজাদপুরে স্কুলেই মদ্যপান করে প্রধান শিক্ষকের মাতলামি

৩ জুলাই, ২০২৬ এ ১:০০ PM

শাহজাদপুরে স্কুলেই মদ্যপান করে প্রধান শিক্ষকের মাতলামি

NewsG24 এর নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি।

শাহজাদপুর: শাহজাদপুরে বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে মদ্যপান করে মাতলামি করার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত হয়ে ভিডিও ধারন করার সময় দেড় লাখ টাকা খরচ করে সাংবাদিকদের দৌলতদিয়া পতিতালয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেন মদ্যপ শিক্ষক। পরে টালমাটাল শিক্ষককে স্বজনেরা এসে ধরে বাড়িতে নিয়ে যায়।

এদিকে বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের এমন ন্যাক্কারজনক কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ২রা জুলাই বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার নুকালি বহুপ্বার্শিক উচ্চ বিদ্যালয়ে।

জানা যায়, নুকালি বহুপ্বার্শিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিদ্যালয়ের পাশেই বাড়ি হওয়ায় এবং এলাকায় তার মরহুম পিতার সুনাম থাকার সুযোগে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে সবাইকে তটস্থ করে রাখেন এই শিক্ষক। মাঝে মাঝেই বিদ্যালয়ে এসে প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়ে বসেই মদ্যপান করে মাতলামি করেন। প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ তার বিরুদ্ধে কোন কথা বলার সাহস করে না। মদ্যপ এই প্রধান শিক্ষকের অস্বাভাবিক আচরণে সবসময় ভীতসন্ত্রস্ত থাকে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

২রা জুলাই আর সব দিনের মতোই বিদ্যালয়ে চলছিল পরীক্ষার আয়োজন। এরমধ্যেই প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন মদ্যপান করে টলতে টলতে নিজের কার্যালয়ে প্রবেশ করে। এরপর নিজের অস্বাভাবিক আচরণ এবং চিৎকার চেচামেচি করে মাতলামি শুরু করেন। এরফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে যায়।

স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে একদল সংবাদকর্মী বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ভিডিও ধারন করতে থাকে। এসময় প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন নিজেকে কুৎসিত ভাষায় গালি দিয়ে জানান তিনি আজীবন মদ্যপান করবেন। একইসাথে সাংবাদিকদের সাথে নিয়ে দৌলতদিয়া পতিতালয়ে যাওয়ার বিকৃত প্রস্তাব দেন।

এমন মাতলামি করা অবস্থায় বিদ্যালয় থেকে প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিনের বাড়িতে খবর দিলে তার স্বজনেরা এসে টালমাটাল অবস্থায় বাড়িতে নিয়ে যায়।

এদিকে স্বনামধন্য একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে বসেই মদ্যপান করায় হতভম্ব এলাকাবাসী এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। প্রতিষ্ঠানের সুনাম এবং শিক্ষার মান বাড়াতে এমন অপ্রকৃতস্থ শিক্ষকের অপসারণ দাবী করেছেন এলাকাবাসী।

সূত্র: newsg24

সম্পর্কিত সংবাদ