শাহজাদপুর সংবাদ

শাহজাদপুরে কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল করে বালু বিক্রির অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ৪:৩৯ PM

শাহজাদপুরে কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল করে বালু বিক্রির অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, এসি ল্যান্ডসহ উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর ও সিল জালিয়াতি করে সরকারি বালুমহালের বালু বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—শাহজাদপুর উপজেলার চরনবীপুর গ্রামের প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা শিমুলের স্ত্রী এবং শিমুল কনস্ট্রাকশন ও মায়ার লিমিটেডের মালিক […]

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, এসি ল্যান্ডসহ উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর ও সিল জালিয়াতি করে সরকারি বালুমহালের বালু বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—শাহজাদপুর উপজেলার চরনবীপুর গ্রামের প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা শিমুলের স্ত্রী এবং শিমুল কনস্ট্রাকশন ও মায়ার লিমিটেডের মালিক মিনা খাতুন (৩৯) এবং তার ম্যানেজার রূপপুর গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে মো. রাসেল রানা।

জানা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, শাহজাদপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি), সেনাবাহিনী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে করতোয়া নদী থেকে উত্তোলন করা বালু বিক্রির চেষ্টা করেন অভিযুক্তরা।

খবর পেয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর উপজেলা ভূমি অফিস ও সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা যৌথভাবে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে অভিযান চালান। এ সময় মিনা খাতুন দাবি করেন, নিলামের মাধ্যমে বালু কিনে তিনি তা বিক্রি করছেন। দাবির পক্ষে তিনি দাপ্তরিক কিছু কাগজপত্রও প্রদর্শন করেন।

তবে কাগজপত্র পর্যালোচনা করে কর্মকর্তারা দেখতে পান, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ব্রিগেড ইঞ্জিনিয়ার এবং শাহজাদপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর স্বাক্ষর জাল ও স্ক্যান করে ভুয়া নথি তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

একই দিন সন্ধ্যায় শাহজাদপুর উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির কাম-ক্যাশিয়ার রতন কুমার সাহা বাদী হয়ে মিনা খাতুন, রাজিব মোসাব্বের ও রাসেল রানাসহ অজ্ঞাত চার-পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।

শুক্রবার শাহজাদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এরশাদুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা মিনা খাতুন ও রাসেল রানাকে পৃথক স্থান থেকে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকে আসামিরা দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে যায়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হলে

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, এসি ল্যান্ডসহ উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর ও সিল জালিয়াতি করে সরকারি বালুমহালের বালু বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—শাহজাদপুর উপজেলার চরনবীপুর গ্রামের প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা শিমুলের স্ত্রী এবং শিমুল কনস্ট্রাকশন ও মায়ার লিমিটেডের মালিক মিনা খাতুন (৩৯) এবং তার ম্যানেজার রূপপুর গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে মো. রাসেল রানা।

জানা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, শাহজাদপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি), সেনাবাহিনী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে করতোয়া নদী থেকে উত্তোলন করা বালু বিক্রির চেষ্টা করেন অভিযুক্তরা।

খবর পেয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর উপজেলা ভূমি অফিস ও সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা যৌথভাবে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে অভিযান চালান। এ সময় মিনা খাতুন দাবি করেন, নিলামের মাধ্যমে বালু কিনে তিনি তা বিক্রি করছেন। দাবির পক্ষে তিনি দাপ্তরিক কিছু কাগজপত্রও প্রদর্শন করেন।

তবে কাগজপত্র পর্যালোচনা করে কর্মকর্তারা দেখতে পান, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ব্রিগেড ইঞ্জিনিয়ার এবং শাহজাদপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর স্বাক্ষর জাল ও স্ক্যান করে ভুয়া নথি তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

একই দিন সন্ধ্যায় শাহজাদপুর উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির কাম-ক্যাশিয়ার রতন কুমার সাহা বাদী হয়ে মিনা খাতুন, রাজিব মোসাব্বের ও রাসেল রানাসহ অজ্ঞাত চার-পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।

শুক্রবার শাহজাদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এরশাদুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা মিনা খাতুন ও রাসেল রানাকে পৃথক স্থান থেকে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকে আসামিরা দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে যায়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হলে

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, এসি ল্যান্ডসহ উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর ও সিল জালিয়াতি করে সরকারি বালুমহালের বালু বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—শাহজাদপুর উপজেলার চরনবীপুর গ্রামের প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা শিমুলের স্ত্রী এবং শিমুল কনস্ট্রাকশন ও মায়ার লিমিটেডের মালিক মিনা খাতুন (৩৯) এবং তার ম্যানেজার রূপপুর গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে মো. রাসেল রানা।

জানা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, শাহজাদপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি), সেনাবাহিনী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে করতোয়া নদী থেকে উত্তোলন করা বালু বিক্রির চেষ্টা করেন অভিযুক্তরা।

খবর পেয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর উপজেলা ভূমি অফিস ও সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা যৌথভাবে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে অভিযান চালান। এ সময় মিনা খাতুন দাবি করেন, নিলামের মাধ্যমে বালু কিনে তিনি তা বিক্রি করছেন। দাবির পক্ষে তিনি দাপ্তরিক কিছু কাগজপত্রও প্রদর্শন করেন।

তবে কাগজপত্র পর্যালোচনা করে কর্মকর্তারা দেখতে পান, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ব্রিগেড ইঞ্জিনিয়ার এবং শাহজাদপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর স্বাক্ষর জাল ও স্ক্যান করে ভুয়া নথি তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

একই দিন সন্ধ্যায় শাহজাদপুর উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির কাম-ক্যাশিয়ার রতন কুমার সাহা বাদী হয়ে মিনা খাতুন, রাজিব মোসাব্বের ও রাসেল রানাসহ অজ্ঞাত চার-পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।

শুক্রবার শাহজাদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এরশাদুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা মিনা খাতুন ও রাসেল রানাকে পৃথক স্থান থেকে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকে আসামিরা দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে যায়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হলে

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, এসি ল্যান্ডসহ উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর ও সিল জালিয়াতি করে সরকারি বালুমহালের বালু বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—শাহজাদপুর উপজেলার চরনবীপুর গ্রামের প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা শিমুলের স্ত্রী এবং শিমুল কনস্ট্রাকশন ও মায়ার লিমিটেডের মালিক মিনা খাতুন (৩৯) এবং তার ম্যানেজার রূপপুর গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে মো. রাসেল রানা।

জানা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, শাহজাদপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি), সেনাবাহিনী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে করতোয়া নদী থেকে উত্তোলন করা বালু বিক্রির চেষ্টা করেন অভিযুক্তরা।

খবর পেয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর উপজেলা ভূমি অফিস ও সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা যৌথভাবে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে অভিযান চালান। এ সময় মিনা খাতুন দাবি করেন, নিলামের মাধ্যমে বালু কিনে তিনি তা বিক্রি করছেন। দাবির পক্ষে তিনি দাপ্তরিক কিছু কাগজপত্রও প্রদর্শন করেন।

তবে কাগজপত্র পর্যালোচনা করে কর্মকর্তারা দেখতে পান, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ব্রিগেড ইঞ্জিনিয়ার এবং শাহজাদপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর স্বাক্ষর জাল ও স্ক্যান করে ভুয়া নথি তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

একই দিন সন্ধ্যায় শাহজাদপুর উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির কাম-ক্যাশিয়ার রতন কুমার সাহা বাদী হয়ে মিনা খাতুন, রাজিব মোসাব্বের ও রাসেল রানাসহ অজ্ঞাত চার-পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।

শুক্রবার শাহজাদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এরশাদুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা মিনা খাতুন ও রাসেল রানাকে পৃথক স্থান থেকে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকে আসামিরা দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে যায়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হলে

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, এসি ল্যান্ডসহ উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর ও সিল জালিয়াতি করে সরকারি বালুমহালের বালু বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—শাহজাদপুর উপজেলার চরনবীপুর গ্রামের প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা শিমুলের স্ত্রী এবং শিমুল কনস্ট্রাকশন ও মায়ার লিমিটেডের মালিক মিনা খাতুন (৩৯) এবং তার ম্যানেজার রূপপুর গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে মো. রাসেল রানা।

জানা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, শাহজাদপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি), সেনাবাহিনী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে করতোয়া নদী থেকে উত্তোলন করা বালু বিক্রির চেষ্টা করেন অভিযুক্তরা।

খবর পেয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর উপজেলা ভূমি অফিস ও সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা যৌথভাবে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে অভিযান চালান। এ সময় মিনা খাতুন দাবি করেন, নিলামের মাধ্যমে বালু কিনে তিনি তা বিক্রি করছেন। দাবির পক্ষে তিনি দাপ্তরিক কিছু কাগজপত্রও প্রদর্শন করেন।

তবে কাগজপত্র পর্যালোচনা করে কর্মকর্তারা দেখতে পান, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ব্রিগেড ইঞ্জিনিয়ার এবং শাহজাদপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর স্বাক্ষর জাল ও স্ক্যান করে ভুয়া নথি তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

একই দিন সন্ধ্যায় শাহজাদপুর উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির কাম-ক্যাশিয়ার রতন কুমার সাহা বাদী হয়ে মিনা খাতুন, রাজিব মোসাব্বের ও রাসেল রানাসহ অজ্ঞাত চার-পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।

শুক্রবার শাহজাদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এরশাদুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা মিনা খাতুন ও রাসেল রানাকে পৃথক স্থান থেকে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকে আসামিরা দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে যায়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হলে

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিবেদকঃ ‎সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থানায় দায়ের করা ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি জুলহাস ইসলাম (৫২ ) কে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। ‎‎সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে শাহজাদপুর পৌর…

মাসুম হোসেন , শাহজাদপুর প্রতিবেদকঃ সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার ৭ নম্বর হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্হারুন অর রশিদ সরদার গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। হারুন অর রশিদ শাহজাদপুর উপজেলা ৭…

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৮ পিস ইয়াবা ও ১ গ্রাম হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে শাহজাদপুর থানা পুলিশ। গত…

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ মো. দুলাল উদ্দিন (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। (মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শাহজাদপুর…

সূত্র: dainiksokal.com

সম্পর্কিত সংবাদ