শাহজাদপুর সংবাদ

যমুনায় বাল্কহেড ডুবে নিখোঁজ দুই শ্রমিক, উদ্ধারে ডুবুরি

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ১১:৫৮ AM

যমুনায় বাল্কহেড ডুবে নিখোঁজ দুই শ্রমিক, উদ্ধারে ডুবুরি

প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১১:৫৭ | আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১১:৫৭

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে বালুবাহী একটি বাল্কহেড ডুবে দুই শ্রমিক নিখোঁজ হয়েছেন। দুর্ঘটনার সময় বাল্কহেডে থাকা অপর দুই শ্রমিক সাঁতরে তীরে ওঠেন। নিখোঁজ শ্রমিকদের সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ ডুবুরি দল সোমবার সকাল থেকে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।

শনিবার সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কালীবাড়ি সংলগ্ন কাওয়াখোলা (বরকোয়ারা) এলাকায় যমুনা নদীতে বাল্কহেডটি ডুবে যায়। তবে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাটি জানতে পারে পরদিন রোববার সন্ধ্যায়। খবর পেয়ে সোমবার সকালে রাজশাহী থেকে বিশেষ ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

নিখোঁজ দুই শ্রমিক হলেন—নোয়াখালী সদর উপজেলার আলুরচর গ্রামের লোকমান হোসেন মৃধার ছেলে মো. মোরশেদ (২৫) এবং চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার কাশিমনগর গ্রামের মোক্তার হোসেনের ছেলে মো. ফয়সাল (২১)।

দুর্ঘটনার সময় সাঁতরে তীরে ওঠেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার ছাতিরচর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মো. সিরাজুল ইসলাম (২৩) এবং নোয়াখালী সদর উপজেলার আলুরচর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে মো. রাসেল হোসেন।

ডুবে যাওয়া বাল্কহেডটির মালিক চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার আখেরেরচর গ্রামের বাসিন্দা মো. খোরশেদ মোল্লা।

সিরাজগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শনিবারের দুর্ঘটনার বিষয়টি তারা রোববার সন্ধ্যায় জানতে পারেন। খবর পেয়ে সোমবার সকালে রাজশাহী থেকে বিশেষ ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। নিখোঁজ দুই শ্রমিকের মরদেহ বাল্কহেডটির ভেতরে আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। উদ্ধার অভিযান চলছে।

এদিকে, সিরাজগঞ্জ সদর ও কাজিপুর উপজেলার যমুনা নদীর পাঁচটি সরকারি বালুমহাল ইজারা নিয়েছেন এস কনস্ট্রাকশনের মালিক হাজী মো. আব্দুস সাত্তার। প্রায় ১৪ কোটি ৮৫ লাখ টাকায় ইজারা নেওয়া বালুমহালগুলো হলো—সদরের কৈগাড়ী-দোরতা, শিমলা, জিয়ারপাড়া, চণ্ডালবয়ড়া ও কাজিপুর। প্রতিদিন এসব বালুমহাল থেকে বালু তুলে শত শত বাল্কহেডে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে।

সূত্র: SAMAKAL

সম্পর্কিত সংবাদ