শাহজাদপুর সংবাদ

বাড়ি থেকে নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

২০ নভেম্বর, ২০২৫ এ ২:০০ PM

বাড়ি থেকে নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে মরিয়ম খাতুন নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে পুলিশ উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের ব্রজবালা গ্রামের ওই নারীর বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আনোয়ারের স্ত্রী।

প্রতিবেশীদের অভিযোগ, মরিয়ম খাতুন তাঁর মেজ মেয়ের স্বামী আজিজুলের দুর্ব্যবহার সহ্য করতে না পেরে বুধবার গভীর রাতে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

প্রতিবেশীরা বলেন, বিয়ের পর থেকেই মরিয়ম খাতুনের মেয়ে কল্পনা ও তাঁর স্বামী আজিজুল দীর্ঘদিন তাঁর মায়ের বাড়িতেই বসবাস করছিলেন। গত মঙ্গলবার কথা-কাটাকাটির জেরে আজিজুল তাঁর শাশুড়িকে (মরিয়ম) সিলভারের কলসের আঘাতে ঠোঁট ফাটিয়ে দেন এবং দুর্ব্যবহার করেন। এসব সহ্য না করতে পেরে মরিয়ম খাতুন আত্মহত্যা করেন।

শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম আলী বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছি। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে একটি (ইউডি) মামলা হয়েছে।’

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বাংলাদেশি তরুণ মো. তারা মিয়ার (১৯) মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আজ সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার চাতলাপুর শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় বিএসএফ ও বিজিবির পতাকা বৈঠকের পর ভারতীর পুলিশ কুলাউড়া থানা-পুলিশের

দুর্নীতির আমদানি, নাম তার কমিটি—এমন স্লোগানে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থীরা। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ বন্ধ করে ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডির মাধ্যমে নিয়োগের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে

রিকশার প্যাডেল ঘুরিয়ে কিংবা অন্যের খেতে দিনমজুরি করে কোনোমতে সংসার চালাতেন আব্দুল হালিম। স্ত্রী ও সাত সন্তানকে নিয়ে অন্যের জায়গায় জীর্ণশীর্ণ ঝুপড়িঘরে কাটছিল তাঁর মানবেতর জীবন। কাজ থাকলে খাবার জুটত, না থাকলে নেমে আসত অভাবের অন্ধকার। ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার কড়ইগড়া কালিকাবাড়ির এই অসহায় পরিবারের জীবন

উপজেলায় দুটি সাবস্টেশনের আওতায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার ৫০০। এর মধ্যে ফরিদগঞ্জ জোনাল অফিসের আওতায় গ্রাহকসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার। এখানে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা ২৩ থেকে ২৬ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ মিলছে মাত্র ৭ থেকে ১০ মেগাওয়াট।

সূত্র: Ajker Patrika

সম্পর্কিত সংবাদ