শাহজাদপুর সংবাদ

শাহজাদপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

১০ জুলাই, ২০২৬ এ ১:০০ PM

শাহজাদপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় মো. সবুজ (৩৫) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে উপজেলার হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়নের হাসাকোলা গ্রামের নান্নুর বাড়ির রাস্তার উত্তর পাশ থেকে স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত সবুজ উপজেলার রতনকান্দি উত্তরপাড়ার বাসিন্দা আব্দুল রহিমের ছেলে।

নিহতের স্ত্রী জানান, গত বুধবার সবুজ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। পরে শুক্রবার সকালে হাসাকোলা এলাকায় তাঁর মরদেহ পাওয়া যায়।

শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘নিহতের শরীর ও চোখে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তিনি চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে চুরি ও ডাকাতির ছয়টি মামলা রয়েছে।’

ওসি আরও বলেন, সবুজের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বাংলাদেশি তরুণ মো. তারা মিয়ার (১৯) মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আজ সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার চাতলাপুর শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় বিএসএফ ও বিজিবির পতাকা বৈঠকের পর ভারতীর পুলিশ কুলাউড়া থানা-পুলিশের

দুর্নীতির আমদানি, নাম তার কমিটি—এমন স্লোগানে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থীরা। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ বন্ধ করে ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডির মাধ্যমে নিয়োগের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে

রিকশার প্যাডেল ঘুরিয়ে কিংবা অন্যের খেতে দিনমজুরি করে কোনোমতে সংসার চালাতেন আব্দুল হালিম। স্ত্রী ও সাত সন্তানকে নিয়ে অন্যের জায়গায় জীর্ণশীর্ণ ঝুপড়িঘরে কাটছিল তাঁর মানবেতর জীবন। কাজ থাকলে খাবার জুটত, না থাকলে নেমে আসত অভাবের অন্ধকার। ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার কড়ইগড়া কালিকাবাড়ির এই অসহায় পরিবারের জীবন

উপজেলায় দুটি সাবস্টেশনের আওতায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার ৫০০। এর মধ্যে ফরিদগঞ্জ জোনাল অফিসের আওতায় গ্রাহকসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার। এখানে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা ২৩ থেকে ২৬ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ মিলছে মাত্র ৭ থেকে ১০ মেগাওয়াট।

সূত্র: Ajker Patrika

সম্পর্কিত সংবাদ