প্রার্থনা, শিক্ষা ও মানবসেবায় সিরাজগঞ্জের খ্রিস্টান পল্লী
৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ১১:২৮ AM

বাংলাদেশ ভূখণ্ডে খ্রিস্টধর্মের আগমন হয়েছে প্রায় পাঁচ শতাব্দী আগে। পর্তুগিজ বণিকদের আগমন, ইউরোপীয় মিশনারিদের ধর্মীয় কার্যক্রম এবং স্থানীয় মানুষের ধর্মান্তরের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে এ দেশে খ্রিস্টানদের সম্প্রদায় গড়ে ওঠে। সেই দীর্ঘ ইতিহাসের ধারাবাহিকতায়, ছোট হলেও সুসংগঠিত একটি খ্রিস্টান সমাজ গড়ে উঠেছে সিরাজগঞ্জেও। ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি শিক্ষার প্রসার, স্বাস্থ্যসেবা, দারিদ্র্য বিমোচন ও মানবসেবামূলক নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে এ সম্প্রদায় স্থানীয় সমাজে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে।
ইতিহাসবিদদের তথ্য অনুযায়ী, ১৫১৭ সালের দিকে পর্তুগিজ বণিকেরা চট্টগ্রাম বন্দরে আসেন। পরে মোগল সম্রাট আকবরের অনুমতি নিয়ে ১৫৭৭ সালে বাংলায় বসতি স্থাপন ও স্থায়ী গির্জা নির্মাণের সুযোগ পান তারা।
বর্তমান সাতক্ষীরা জেলার তৎকালীন চান্দিকান বা ঈশ্বরীপুরে প্রতাপাদিত্যের রাজ্যে জেসুইট ফাদার ফ্রান্সিসকো ফার্নান্দেজ ১৫৯৯ সালে ‘চার্চ অব দ্য হোলি নেম অব জিজাস’ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৬০০ সালের ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এর কার্যক্রম শুরু হয়। এটিকেই বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রতিষ্ঠিত প্রথম গির্জা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
একই বছরের জুনে চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘সেন্ট জন দ্য ব্যাপ্টিস্ট’ গির্জা। তবে, ১৬০২ সালে আরাকানিদের আক্রমণে চট্টগ্রামের এই গির্জাটি ধ্বংস হয়ে যায়। এ সময় ফাদার ফ্রান্সিসকো ফার্নান্দেজ বন্দী অবস্থায় মারা যান। ইতিহাসে তিনি বাংলার প্রথম ‘খ্রিস্টান শহীদ’ হিসেবে পরিচিত।
পরবর্তীতে অগাস্টিনিয়ান মিশনারিরা ঢাকা, তেজগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকায় মিশন ও স্কুল স্থাপন করেন। ঢাকার তেজগাঁওয়ে ১৬৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘হলি রোজারি চার্চ’ আজও বাংলাদেশের খ্রিস্টান ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন।
ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে বাংলায় প্রটেস্ট্যান্ট মিশনারিদের কার্যক্রমও বাড়তে থাকে। ১৭৯৩ সালে উইলিয়াম কেরি বাংলায় এসে ধর্মীয় কাজের পাশাপাশি বাংলা ভাষা, শিক্ষা ও মুদ্রণ শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বাইবেল বাংলায় অনুবাদ এবং শ্রীরামপুর মিশন প্রেসের কার্যক্রমে বাংলা গদ্য ও মুদ্রণ সংস্কৃতির বিকাশে বিশেষ অবদান রাখেন তিনি।
উনিশ শতকের মাঝামাঝি থেকে বিশ শতকের প্রথমভাগ পর্যন্ত মিশনারিরা গারো, সাঁওতাল, খাসিয়া, ওরাওঁসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী অধ্যুষিত এলাকায় শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা বিস্তারে কাজ করেন। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে খ্রিস্টধর্মের বিস্তার ঘটে।
সিরাজগঞ্জে খ্রিস্টানদের উপস্থিতির ইতিহাস শুধু সাম্প্রতিক সময়ের নয়। যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত এই জেলা শহর ব্রিটিশ আমলে উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পাট ব্যবসার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল। পাটের ব্যবসা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং ঔপনিবেশিক বাণিজ্যের সূত্রে ইউরোপীয় ও অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান খ্রিস্টানদেরও এ অঞ্চলে আসা-যাওয়া ও বসতি ছিল।
এই শহরের বাজার স্টেশন এলাকায় থাকা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলের ঐতিহাসিক খ্রিস্টান কবরস্থান এ অঞ্চলে খ্রিস্টানদের পুরোনো উপস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। দীর্ঘদিন অবহেলায় থাকার পর কবরস্থানটি সংস্কার করা হয়েছে।
তবে, সিরাজগঞ্জে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রাতিষ্ঠানিক ও আধুনিক বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হয় বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে।
এখানকার খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ইতিহাসে ইতালীয় মিশনারি ফাদার কার্লো বুজ্জির নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ১৯৪৩ সালের ৬ এপ্রিল ইতালির ভারেসে জেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৬৮ সালের ২১ ডিসেম্বর যাজক হিসেবে অভিষিক্ত হন। পরে কয়েক দফা শিক্ষকতা করার পর ১৯৭৫ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশে আসেন।
বাংলা ভাষা শেখার প্রশিক্ষণ শেষে তিনি ক্যাথলিক দাতব্য সংস্থা কারিতাসের সঙ্গে কাজ শুরু করেন। শিশু ও নিরক্ষর প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য স্কুল পরিচালনা, দরিদ্র কৃষকদের সহায়তায় ‘রাইস ব্যাংক’ বা ধান ব্যাংক, নারীদের জন্য রেশমকীট পালন ও তাঁতকেন্দ্র স্থাপন এবং ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো, নানা কাজ করেন তিনি।
তার উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২০টি স্কুল, ৪৮টি ধান ব্যাংক এবং নারীদের জন্য প্রায় ২০টি রেশমকীট পালন ও তাঁতকেন্দ্র পরিচালিত হয়। ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধে দুই শতাধিক মামলায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
১৯৯৭ সালে ফাদার কার্লো বুজ্জি তাড়াশ উপজেলার গুল্টা প্যারিশে আসেন। সেখানে এসে তিনি জানতে পারেন, বেলকুচিতে উত্তর-মধ্য ময়মনসিংহ অঞ্চল থেকে আসা গারো ক্যাথলিকদের একটি সম্প্রদায় বসবাস করছে। দারিদ্র্য থেকে মুক্তির আশায় গারো পরিবারগুলোর অনেকে বেলকুচিতে এসে বসতি গড়েছিলেন। ১৯৮০-এর দশক থেকে তাদের অনেকে স্থানীয় তাঁত ও পোশাক কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন।
স্থানীয় ক্যাথলিকদের প্রার্থনা ও সমবেত হওয়ার জন্য ফাদার বুজ্জি একটি টিনের ঘর নির্মাণ করেন। পরে এর নাম দেওয়া হয় ‘স্যাক্রেড হার্ট অব জিজাস চার্চ’ বা ‘যিশুর পবিত্র হৃদয় গির্জা’। একই সঙ্গে তিনি স্থানীয় খ্রিস্টানদের একটি কমিউনিটি হিসেবে সংগঠিত করেন।
১৯৯৯ সালে পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওনে বিদ্রোহীদের হাতে শহীদ হওয়া বাংলাদেশি গারো সন্ন্যাসিনী সিস্টার সুয়েভার স্মরণে ওই এলাকার নাম দেওয়া হয় ‘সুয়েভা ভিলেজ’।
তাড়াশের গুল্টা খ্রিস্টধর্ম পল্লী বর্তমানে সিরাজগঞ্জের ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। এখানে অবস্থিত ‘আভে মারিয়া চার্চ’ রাজশাহী ক্যাথলিক ধর্মপ্রদেশের অধীনে পরিচালিত হয়। গুল্টা ও বেলকুচির মিশন কার্যক্রম এ অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বিস্তৃত।
এখানে ফাদার কার্লো বুজ্জির দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিও এসেছে নানা আয়োজনে। ২০১৮ সালে গুল্টা খ্রিস্টধর্ম পল্লীতে তার যাজকীয় জীবনের ৫০ বছর পূর্তি বা সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করা হয়। এতে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। গুল্টা মিশনের মাধ্যমে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম, খাবারসহ শিক্ষা বা ‘ফিডিং স্কুল’, সামাজিক উন্নয়ন এবং মানবিক সহায়তার বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালিত হয়েছে।
চলনবিল অধ্যুষিত তাড়াশ উপজেলার গুল্টা এলাকায় সিরাজগঞ্জের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম বৃহৎ ও প্রাণবন্ত কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। এখানকার খ্রিস্টানদের একটি বড় অংশ স্থানীয় বিভিন্ন পরিবার ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী থেকে ধর্মান্তরিত হয়ে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছেন।
শিক্ষা, চিকিৎসা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং দারিদ্র্য বিমোচনে মিশনারিদের কার্যক্রমের মাধ্যমে এই অঞ্চলে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিকাশ ঘটেছে। গুল্টা মিশনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রমে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর মানুষও উপকৃত হচ্ছেন।
তাঁতশিল্পের জন্য বিখ্যাত বেলকুচি উপজেলায়ও রয়েছে একটি ছোট কিন্তু সুসংগঠিত খ্রিস্টান সম্প্রদায়। ধর্মীয়ভাবে তারা রাজশাহী ক্যাথলিক ধর্মপ্রদেশের অধীনে এবং গুল্টা আভে মারিয়া চার্চের সঙ্গে যুক্ত। বেলকুচি সাব-প্যারিশে বড়দিন, ইস্টারসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং নিয়মিত প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় খ্রিস্টানরা তাঁত ও পোশাকশিল্পসহ বিভিন্ন পেশায় যুক্ত রয়েছেন।
২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী, সিরাজগঞ্জ জেলায় খ্রিস্টান জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ৩৫৪ জন। ২০১১ সালের আদমশুমারিতে এ সংখ্যা ছিল ৩৮০ জন। তবে, বিভিন্ন উৎসের পরিসংখ্যানে কিছুটা পার্থক্য দেখা যায়। বাংলাপিডিয়ার উপজেলা-ভিত্তিক তথ্যে সিরাজগঞ্জ সদরে ২৩, তাড়াশে ১৯৮, বেলকুচিতে ৫০, কাজীপুরে এক, রায়গঞ্জে ৩৯, কামারখন্দে সাত, চৌহালীতে ২৯, উল্লাপাড়ায় ২৯ এবং শাহজাদপুরে ১৮ জন খ্রিস্টান জনগোষ্ঠীর উল্লেখ রয়েছে। এসব সংখ্যা যোগ করলে মোট ৩৯৪ জন হয়।
জাতীয় পর্যায়ে ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে খ্রিস্টান জনগোষ্ঠীর সংখ্যা চার লাখ ৮৮ হাজার ৫৮৩ জন। তাদের মধ্যে রোমান ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের সংখ্যাই বেশি।
সিরাজগঞ্জে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিকাশের সঙ্গে শিক্ষা ও মানবসেবার বিষয়টি গভীরভাবে যুক্ত। মিশনারিদের উদ্যোগে দরিদ্র শিশুদের জন্য প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম, রাতের স্কুল এবং খাবারসহ শিক্ষা কর্মসূচি পরিচালিত হয়েছে।
ফাদার কার্লো বুজ্জির উদ্যোগে সিরাজগঞ্জ শহর ও আশপাশের এলাকায় দরিদ্র শিশু ও নারীদের জন্য বেশ কয়েকটি ছোট স্কুল পরিচালিত হয়। তার লক্ষ্য ছিল শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারগুলোকে দারিদ্র্যের চক্র থেকে বের করে আনা।
এ ছাড়া কারিতাসসহ বিভিন্ন খ্রিস্টান সেবামূলক প্রতিষ্ঠান চলনবিল ও সিরাজগঞ্জের অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে আসছে।
সিরাজগঞ্জের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন বা ক্রিসমাস। ২৫ ডিসেম্বর গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা, বাইবেল পাঠ, ধর্মীয় সংগীত, কেক কাটা ও অতিথি আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে উৎসবটি উদযাপন করা হয়। গির্জা ও খ্রিস্টানদের বাড়িঘর সাজানো হয় রঙিন আলো ও ক্রিসমাস ট্রিতে।
এ ছাড়া ইস্টার সানডে বা যিশু খ্রিস্টের পুনরুত্থান উৎসব, বাপ্তিস্ম, বিয়ে ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান চার্চের পুরোহিত বা ফাদারের উপস্থিতিতে পালন করা হয়। প্রতি রোববার স্থানীয় চার্চে প্রার্থনা, বাইবেল পাঠ ও ধর্মীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
ফাদার কার্লোর সঙ্গে কথা বলে জানা যায় তার বিদ্যালয়ে ৫০টি ছেলে ৫০ টি মেয়ে প্রতিদিন পাঠদান করেন। প্রতি রোববার গির্জাতে দেড়শো থেকে ২০০ জন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী আসেন। এইখানে প্রতিদিন আশেপাশের অন্যান্য ধর্মের গড়ে ১৫ থেকে ২০ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এখানে সিস্টার হিসেবে রয়েছেন সিস্টার অঞ্জলি। পুরো জায়গাটাকে দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন মাল্টিনেজ।
জনসংখ্যায় কম হলেও সিরাজগঞ্জের খ্রিস্টান সম্প্রদায় স্থানীয় সমাজের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করছে। মুসলিম, হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সামাজিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলছে তাদের জীবনযাপন।
ইতিহাস, ধর্মীয় চর্চা, শিক্ষা ও মানবসেবার দীর্ঘ পথ পেরিয়ে সিরাজগঞ্জের খ্রিস্টান সম্প্রদায় আজ জেলার বহুত্ববাদী সমাজের একটি অংশ। সংখ্যায় কম হলেও শিক্ষা, মানবিক সহায়তা ও সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন উদ্যোগের মধ্য দিয়ে তারা স্থানীয় সমাজে নিজেদের একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছে।
প্রায় পাঁচশ বছরের বাংলাদেশি খ্রিস্টান ইতিহাসের দীর্ঘ ধারাবাহিকতায় সিরাজগঞ্জের গল্পটি তাই শুধু একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের বিকাশের গল্প নয়, এটি শিক্ষা, মানবসেবা, দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই এবং বহু ধর্মের মানুষের সহাবস্থানেরও একটি ইতিহাস।
সূত্র: Daily Times Of Bangladesh
সম্পর্কিত সংবাদ
গুগল ম্যাপে এখন ঢাকাসহ ৩৪ জেলার বায়ুর মান, দেখবেন কীভাবে
৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ১০:৫৯ AM · প্রথম আলো
সিরাজগঞ্জে ইটভাটা মালিক ও অংশীজনদের নিয়ে পরিবেশ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ১১:০০ PM · দৈনিক সিরাজগঞ্জ সংবাদ
রোপা আমনের সবুজে হাসছে সিরাজগঞ্জ, বাম্পার ফলনের প্রত্যাশা
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ৮:৪৪ PM · Alokito Bangladesh
সিরাজগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬ আসামি গ্রেপ্তার
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ৬:১৯ PM · Alokito Bangladesh
