শাহজাদপুর সংবাদ

টেক্সাসে উত্তপ্ত সমাবেশ: সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে পুরোনো ‘শত্রু’র পাশেই দাঁড়ালেন ট্রাম্প

১০ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১০:০০ AM

টেক্সাসে উত্তপ্ত সমাবেশ: সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে পুরোনো ‘শত্রু’র পাশেই দাঁড়ালেন ট্রাম্প

এক মাসের কম সময়ের মধ্যে গত বুধবার তৃতীয়বারের মতো টেক্সাস সফর করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে এক নির্বাচনী সমাবেশে তিনি ডেমোক্র্যাটদের তীব্র সমালোচনা করার পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসন নিয়ে সতর্কবার্তা দেন। ট্রাম্প এবার এমন এক সিনেট প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় নামলেন, যিনি ব্যক্তিগতভাবে প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন এবং খোদ প্রেসিডেন্টও অতীতে তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে নানা ভাষায় অপমান করেছিলেন।

আসন্ন ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের শেষ মুহূর্তের জোর প্রস্তুতি চলছে। সিনেটে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়েছে ট্রাম্পের ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টি। আর এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা টিকিয়ে রাখার মূল পথ এবার টেক্সাসের ওপর দিয়েই গেছে। অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার হিসাবের কেন্দ্রে রয়েছে এই টেক্সাস।

১৯৯৪ সালের পর থেকে টেক্সাসে রাজ্য স্তরের কোনো নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা জয়ী হতে পারেননি। এমনকি ২০২৪ সালের নির্বাচনেও এই অঙ্গরাজ্যে ট্রাম্প ১৩ পয়েন্টের বেশি ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন। তবে এবার ভোটের সমীকরণ কিছুটা ভিন্ন।

জনমত জরিপগুলো বলছে, রিপাবলিকান প্রার্থী ও অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটনের সঙ্গে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস তালারিকোর ধারণার চেয়েও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। এমন পরিস্থিতিতে প্যাক্সটনের অবস্থান শক্তিশালী করতে লাখ লাখ ডলার ঢালছেন রিপাবলিকানরা।

সান আন্তোনিওতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উপস্থিতি ছিল তাঁর চিরচেনা চটজলদি স্বভাবের, যেখানে রসাত্মক মুহূর্তের পাশাপাশি বিরোধীদের ওপর ছিল তীব্র আক্রমণ। নিজের পাতলা হয়ে যাওয়া চুল নিয়ে কৌতুক করার পাশাপাশি তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী তালারিকোকে মিথ্যাই ‘ভেগান’ (নিরামিষভোজী) বলে আক্রমণ করেন। সেই সঙ্গে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী তাঁকে জানিয়েছেন যে তিনি এ শব্দের উচ্চারণ ভুল করছিলেন।

সমাবেশ চলাকালে অন্তত এক ডজন বিক্ষোভকারী কয়েক দফায় ট্রাম্পের বক্তব্যে বাধা সৃষ্টি করলে তাঁদের অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের করে দেওয়া হয়।

চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ইরান চাইলে লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো ‘ধ্বংস করে দিতে’ পারে—ট্রাম্পের এমন এক মন্তব্যে উভয় দলের নেতাদের মধ্যেই তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছিল। সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প সেই উসকানিমূলক বক্তব্যের কিছুটা স্পষ্টীকরণ করার চেষ্টা করেন। এবার একই ধরনের মন্তব্যের পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘আমরা এমনটা হতে দেব না।’

এ সমাবেশের কার্যকারিতা আগামী দিনগুলোয় বেশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে জানান টেক্সাসের এক রিপাবলিকান নির্বাচনী কৌশলবিদ। তাঁর মতে, এ আয়োজন প্যাক্সটনের জনপ্রিয়তার গ্রাফ কতটা বৃদ্ধি করতে পারল, তার ওপরই নির্ভর করছে এই অঙ্গরাজ্যে দলটির ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত।

এক সপ্তাহের কম সময়ের ব্যবধানে টেক্সাসে এটি প্রেসিডেন্টের দ্বিতীয় সফর। মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে ট্রাম্পের দেশব্যাপী যে ঝটিকা নির্বাচনী প্রচার শুরু হয়েছে, তারই অংশ এটি।

দুই বছর আগে যেসব ঐতিহ্যবাহী ‘লাল দুর্গ’ তথা রিপাবলিকান ঘাঁটিতে ট্রাম্প বিপুল ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সেসব অঙ্গরাজ্য চষে বেড়াচ্ছেন তিনি। এর মধ্যে অ্যালাবামা, ওকলাহোমা ও নেব্রাস্কা অন্যতম। নির্বাচনী সমাবেশগুলোয় ট্রাম্প বারবার তাঁর সমর্থকদের বলছেন, তাঁরা যেন ধরে নেন এ নির্বাচনে ব্যালট পেপারে তাঁর নামও আছে। ট্রাম্পের উপদেষ্টাদেরও ধারণা, আগামী নভেম্বরের বৈতরণি পার হওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো দলের নিজস্ব ভোটব্যাংককে পুরোপুরি মাঠে নামানো।

তবে এ কট্টর রিপাবলিকান অঙ্গরাজ্যগুলোয়ও দলের কিছু নেতা বর্তমানে জনপ্রিয়তাহীন এই প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখে চলছেন। যেমন টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট সময়ের টানাটানির অজুহাত দেখিয়ে বুধবার সন্ধ্যার এ সমাবেশে উপস্থিত হননি। এমনকি গত সপ্তাহে ট্রাম্পের টেক্সাস সফরটিও তিনি এড়িয়ে গেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে টেক্সাসের সেই রিপাবলিকান নির্বাচনী কৌশলবিদ বলেন, ‘আমার কাছে এটি বেশ স্পষ্ট যে প্যাক্সটনের নির্বাচনী দল হিসাব–নিকাশ করেই মাঠে নেমেছে। তারা বিশ্বাস করে, ট্রাম্পকে পাশে পাওয়াটা তাদের জন্য পুরোপুরি লাভজনক।’

এদিকে নিজের নির্বাচনী লড়াইয়ে বিপাকে পড়ার জন্য প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর কিছু নীতিকে পরোক্ষভাবে দায়ী করে সংবাদ শিরোনামে এসেছেন কেন প্যাক্সটন। গত মাসে প্যাক্সটন দাতা ও লবিস্টদের এক সভায় বলেছিলেন, ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি তেলের উচ্চ মূল্য তাঁর নির্বাচনী প্রচারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের হাতে আসা এক অডিও রেকর্ডে তাঁকে এমন মন্তব্য করতে শোনা যায়।

এক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী প্যাক্সটন সেখানে বলেন, ‘আমি তো এসব সিদ্ধান্ত নিই না, আর...এসব সিদ্ধান্তের পেছনে আসলে কী কারণ আছে, তা–ও আমি জানি না।’ তবে সিএনএন স্বাধীনভাবে এ অডিওর সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।

অবশ্য প্যাক্সটনের নির্বাচনী দল এ খবরকে উড়িয়ে দিয়েছে। তাঁর মুখপাত্র ম্যাডিসন সার্সি সিএনএনকে এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেল আসলে সে কথাই বলেছেন, যা প্রত্যেক টেক্সাসবাসী ইতিমধ্যে জানেন। পেট্রল ও ডিজেলের দাম বড্ড চড়া। খেটে খাওয়া টেক্সাসবাসীকে জ্বালানি স্টেশন আর মুদিদোকানে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ট্রাম্প দ্রব্যমূল্য কমিয়ে আনতে তাঁর সাধ্যমতো সবকিছুই করছেন।

তবে এর ঠিক এক সপ্তাহ আগেই নিউইয়র্ক টাইমস প্যাক্সটনের আরেকটি অডিও ফাঁস করেছিল। সেখানে গত মাসে ডালাসে অনুষ্ঠিত ট্রাম্পের মধ্যবর্তী নির্বাচনী কনভেনশনটি দলের জন্য কোনো উপকারে আসেনি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করতে শোনা যায় প্যাক্সটনকে।

নিউইয়র্ক টাইমসের ফাঁস করা সেই অডিওতে টেক্সাসের এই অ্যাটর্নি জেনারেলকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনাদের সত্যি করে বলি, ওই সম্মেলন করার পর আমাদের জনপ্রিয়তার সূচক বা নম্বর অনেকটাই নেমে গিয়েছিল।’

তবে সিএনএনকে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্যাক্সটনের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা নিক ম্যাডক্স নিউইয়র্ক টাইমসের এ খবরকে ‘মনগড়া ও বানোয়াট’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, বাস্তবে যার কোনো অস্তিত্ব নেই, তেমন একটি গল্প তৈরি করতেই এমনটা করা হয়েছে। প্যাক্সটন নিজে অবশ্য দীর্ঘদিন ধরে নানামুখী কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত। এর মধ্যে সিকিউরিটিজ জালিয়াতির মামলা (যা পরে বিচার–পূর্ব সমঝোতায় শেষ হয়), পরকীয়ার অভিযোগ ও ২০২৩ সালে অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধি পরিষদে হওয়া অভিশংসন অন্যতম। যদিও অঙ্গরাজ্যের সিনেট পরে তাঁকে এ অভিশংসন থেকে খালাস দেয়।

এতসব নেতিবাচক ইতিহাস থাকার পরও চলতি বছরের শুরুর দিকে দলের অভ্যন্তরীণ প্রাথমিক বাছাইয়ের (প্রাইমারি রানঅফ) লড়াইয়ে বর্তমান সিনেটর জন কর্নিনকে বাদ দিয়ে প্যাক্সটনকেই সমর্থন দেন ট্রাম্প।

অবশ্য এ দুজনের সম্পর্ক সব সময়ই বেশ টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে গেছে বলে মনে হয়। যদিও বুধবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, তাঁকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে তাঁর কোনো অনুশোচনা নেই।

গত সপ্তাহে টেক্সাসের ডেন্টন শহরে এক সমাবেশে প্যাক্সটনকে ‘সবচেয়ে বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের একজন’ হিসেবে বর্ণনা করার পাশাপাশি ট্রাম্প রসিকতা করে ‘মাঝেমধ্যে গলার কাঁটা’ বলেও মন্তব্য করেছিলেন।

এ ছাড়া রাজ্যের এই অ্যাটর্নি জেনারেলের পোশাক ও বাহ্যিক অবয়ব নিয়ে ট্রাম্পের প্রায়ই ঠাট্টা–মশকরা করার অভ্যাস রয়েছে। যেমন: গত মাসে ডালাসের সম্মেলনে দেওয়া বক্তৃতায় ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘অনেকেরই হয়তো তাঁর পোশাকের ধরন পছন্দ না–ও হতে পারে। সত্যি বলতে, আমারও পছন্দ নয়।’

অবশ্য বুধবার রাতের সমাবেশে ট্রাম্প সেই মন্তব্যের পুনরাবৃত্তি করেননি; বরং দুজনে যখন একসঙ্গে মঞ্চে ওঠেন, তখন তাঁদের মধ্যে বেশ উষ্ণ সম্পর্ক দেখা যায়। ট্রাম্প প্যাক্সটনকে একজন ‘অসাধারণ মানুষ’ হিসেবে অভিহিত করেন।

প্যাক্সটনকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য মঞ্চে আমন্ত্রণ জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি তাঁকে নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত। আমার বিশ্বাস, তিনি একজন অবিশ্বাস্য রকমের ভালো সিনেটর হবেন।’

প্যাক্সটনও তাঁর বক্তব্যে অতিথির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উপস্থিত উৎফুল্ল জনতার উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘তিনি যে সান আন্তোনিওতে এসেছেন, এতে কি আপনারা সবাই খুশি নন?’

প্যাক্সটনের নির্বাচনী প্রচারের সঙ্গে যুক্ত নন, এমন একজন রিপাবলিকান কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘সিনেটে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার লড়াইয়ে টেক্সাস কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা প্রেসিডেন্ট খুব ভালো করেই বোঝেন। তাই আমার মনে হয়, তিনি আগের সব মনোমালিন্য একপাশে সরিয়ে রেখে বৃহত্তর স্বার্থেই মনোযোগ দিচ্ছেন।’

তবে সেই কর্মী একই সঙ্গে বলেন, ‘এর পাশাপাশি প্যাক্সটনকে একটু অস্বস্তিতে বা খাবি খাওয়ানোর বিষয়টিও যে ট্রাম্প বেশ উপভোগ করেন, সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত।’

বুধবারের সমাবেশের আগে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্যাক্সটনের সম্পর্কের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তাঁর নির্বাচনী দলের পক্ষ থেকে শুধু ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর একই মঞ্চে উপস্থিত হওয়ার পূর্বপরিকল্পনার কথাই মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রকাশিত প্যাক্সটনের মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অজনপ্রিয়তা কিছু প্রার্থীর জন্য তাঁকে অস্বস্তিকর অতিথি করে তুলতে পারে। সিএনএনের সর্বশেষ জনমত জরিপগুলোর সমন্বিত হিসাবে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের হার মাত্র ৩৪ শতাংশ।

২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পকে জেতাতে যেসব ভোটার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, তাঁদের একটি অংশের সমর্থনও এখন হারাচ্ছেন তিনি। চলতি সপ্তাহের শুরুতে প্রকাশিত এনবিসি নিউজ ও টেলিমুন্ডোর এক জরিপে দেখা গেছে, হিস্পানিক বা লাতিনো ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের হার মাত্র ২৭ শতাংশ। সান আন্তোনিও সফরের মাধ্যমে এই পরিস্থিতি বদলানোর চেষ্টা করতে পারেন তিনি। শহরটির জনসংখ্যার ৬৪ দশমিক ৬ শতাংশই হিস্পানিক বা লাতিনো।

অন্যদিকে টেক্সাসে ট্রাম্পের আবারও প্রচারে নামাকে নিজেদের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন ডেমোক্র্যাটরা।

টেক্সাসের ডেমোক্রেটিক পার্টির এক কৌশলবিদ বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারের শেষ পর্যায়ে টেক্সাসে চারবার ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আনতে হলে বুঝতে হবে, আপনি স্বতন্ত্র ভোটারদের আশা ছেড়ে দিয়েছেন। এটা আসলে ক্ষতি কমানোর কৌশল।’

এ বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের গুরুত্ব শুধু ২০২৭ সালে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রভাব পড়তে পারে ২০২৮ সালের নির্বাচন ও এর পরের রাজনীতিতেও।

টেক্সাসের রিপাবলিকান পার্টির ওই কৌশলবিদ ডেমোক্র্যাট প্রার্থী তালারিকোর সম্ভাব্য জয়কে বাঁধের একটি ফাটলের সঙ্গে তুলনা করেন। তাঁর মতে, এমন জয় অঙ্গরাজ্যটিকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে নেওয়ার পথে দলটিকে গতি এনে দিতে পারে।

টেক্সাসের লড়াইয়ের গুরুত্ব যে অনেক বেশি, তা প্যাক্সটনও বুঝতে পারছেন বলে মনে হচ্ছে। বুধবারের সমাবেশের ঘোষণা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমরা টেক্সাসে হারলে, আমেরিকাতেও হারব।’

সূত্র: প্রথম আলো

সম্পর্কিত সংবাদ