গাজা যুদ্ধ মোদির ভারতকে যেভাবে ইসরায়েলের আরও কাছে নিল
৯ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১০:০০ AM

যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা ও নরওয়ে আগেই তাদের দেশে ইসরায়েলের উগ্র ইহুদিবাদী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোতরিচের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। তিনি গাজায় ফিলিস্তিনিদের জাতিগতভাবে নির্মূল এবং অধিকৃত পশ্চিম তীর ইসরায়েলের অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে কথা বলেছিলেন।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) স্মোতরিচ ও তাঁর চরম ডানপন্থী সহকর্মী ইতামার বেন-গভিরের বিরুদ্ধে জোটগতভাবে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরিকল্পনা করছিল। সেই মাসের শেষ দিকে ইইউ নিষেধাজ্ঞার ঘোষণাও দেয়।
ঠিক ওই সময় ভারত স্মোতরিচকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেয়। তাঁর জন্য কয়েকটি শহর সফরের আয়োজন করে। নয়াদিল্লিতে তিনি একটি বাণিজ্যচুক্তি সই করেন। মুম্বাইয়ে স্টক এক্সচেঞ্জ ঘুরে দেখেন। আর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজ রাজ্য গুজরাটে গিয়ে একটি নতুন বিনিয়োগকেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
ইসরায়েল তখন গাজায় জাতিগত নিধন চালিয়ে যাচ্ছিল। স্মোতরিচের ভারত সফরের দিনগুলোতেও ইসরায়েল বোমা হামলা চালিয়ে কয়েক ডজন মানুষকে হত্যা করেছে। তবু নয়াদিল্লি ইসরায়েলের সঙ্গে ব্যবসা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি বৃদ্ধি করতে প্রস্তুত ছিল।
কয়েক দশক ধরে ভারত ছিল ফিলিস্তিনের সবচেয়ে দৃঢ় সমর্থক দেশগুলোর একটি। অন্যদিকে ইউরোপ ছিল ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ পৃষ্ঠপোষকদের অন্যতম। ২০১৪ সালে মোদি ও তাঁর কট্টর হিন্দুত্ববাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ক্ষমতায় আসে। তখন থেকে ভারতের অবস্থান স্পষ্টভাবে বদলে যেতে থাকে।
তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, স্মোতরিচের সফরের চিত্র আরও নাটকীয় একটি বিষয় সামনে এনেছে। ঐতিহ্যগতভাবে ইসরায়েলের সমর্থক হিসেবে পরিচিত ইউরোপও এখন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার থেকে সরে এসেছে। অথচ এ সময়ে গাজায় জাতিগত নিধনের মধ্যে ইসরায়েলের প্রতি ভারতের ঘনিষ্ঠতা আরও বেড়েছে বলে মনে হচ্ছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের হিন্দুত্ববাদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইসরায়েল সফর করেন। নেতানিয়াহু তখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রমেই একঘরে হয়ে পড়ছিলেন। গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
জেরুজালেমে ইসরায়েলি পার্লামেন্টে দুই নেতাই বক্তব্য দেন। সেখানে নেতানিয়াহু মোদিকে বলেন, ‘আপনি ইসরায়েলের মহান বন্ধু। আপনি বন্ধুর চেয়েও বেশি। আপনি একজন ভাই।’
তিন বছর ধরে গাজায় আগ্রাসন চালিয়ে ইসরায়েল অন্তত ৭৪ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। তাঁদের মধ্যে অন্তত ২১ হাজার শিশু রয়েছে। এ সংখ্যা যুদ্ধের আগের জনসংখ্যার প্রায় ৩ শতাংশ। অর্থাৎ, প্রতি ৩০ জনে প্রায় ১ জন।
ঐতিহাসিকভাবে ভারত বলে এসেছে, সংঘাত মীমাংসার পথ কূটনীতি ও সংলাপ। সেটা রাশিয়া-ইউক্রেন হোক, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হোক কিংবা ইসরায়েল-ফিলিস্তিন। নয়াদিল্লির অবস্থান ছিল, যুদ্ধে কোনো সমাধান আসে না।
কিন্তু আল–জাজিরার অনুসন্ধান ও অন্যান্য প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, গাজায় চলমান গণহত্যামূলক যুদ্ধের মধ্যেও নয়াদিল্লি ইসরায়েলে অস্ত্র রপ্তানি করেছে। মোদির আমলে ভারত ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় অস্ত্র ক্রেতা হয়ে উঠেছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে হামলা চালানো হয়। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মোদি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় এই ‘সন্ত্রাসী হামলার’ নিন্দা জানান। তিনি বলেন, তিনি ‘গভীরভাবে মর্মাহত’।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েল সফরে গিয়ে মোদি ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার প্রসঙ্গ টানেন। ওই হামলা পাকিস্তানভিত্তিক যোদ্ধারা চালিয়েছেন বলে ভারত অভিযোগ করে আসছে। নয়াদিল্লি এ হামলার জন্য পাকিস্তান সরকারকে দায়ী করেছিল। মোদি বলেন, ‘আপনাদের মতো আমাদেরও সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে কোনো দ্বৈত মানদণ্ড ছাড়াই শূন্য সহনশীলতার ধারাবাহিক ও আপসহীন নীতি রয়েছে।’
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলকে হামলার শিকার দেশ হিসেবে তুলে ধরার কৌশল মোদিকে সুবিধা দিয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি ভারতকে ইসরায়েলের আরও কাছে নেওয়ার যৌক্তিকতা দাঁড় করাতে পেরেছেন।
নয়াদিল্লির রাজনৈতিক বিশ্লেষক রশিদ কিদওয়াই বলেন, কয়েক দশক ধরে মোদির বিজেপির রাজনীতির বড় অংশ কথিত ‘ইসলামপন্থী সম্প্রসারণবাদ বা ইসলামি সন্ত্রাসবাদকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে’।
মোদির ইসরায়েলনীতি ও তাঁর দেশীয় রাজনীতির যোগসূত্রের দিকে ইঙ্গিত করে কিদওয়াই বলেন, ‘তাই এটা (ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কে) সহায়ক হয়। এই সম্পর্ক ভারতে যে দেশীয় বয়ান দেখা যায়, তারই সম্প্রসারণ হিসেবে দেখুন।’
বিশ্লেষকেরা বলছেন, ভারতের হিন্দু ডানপন্থীরা দীর্ঘদিন ধরে জায়নবাদী মতাদর্শ সমর্থন করে আসছে। মোদির বিজেপির শিকড় হিন্দুত্ববাদী দর্শনে। এই দর্শনের চূড়ান্ত লক্ষ্য ভারতকে একটি হিন্দু রাষ্ট্রে রূপান্তর করা। সেই রাষ্ট্র হবে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের হিন্দুদের স্বাভাবিক আবাসভূমি। ইসরায়েলও নিজেকে ঠিক এভাবে ইহুদিদের আবাসভূমি হিসেবে দেখে।
কিদওয়াই উল্লেখ করেন, ইসরায়েলে ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে ‘ভারতে মুসলিমবিরোধী মনোভাব সেই জায়গা পূরণ করছে’। অবশ্য এই মনোভাবের সঙ্গে ‘নয়াদিল্লির বাস্তববাদও যুক্ত। কারণ, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রভাবশালী একটি পক্ষ’।
নবদ্বীপ সুরি ভারতের সাবেক কূটনীতিক। তিনি মিসর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আল–জাজিরাকে বলেন, দুই দেশের মানুষে মানুষে সম্পর্কও ভারত-ইসরায়েল সম্পর্কের একটি কেন্দ্রীয় স্তম্ভ। এই সম্পর্ক ‘বিশেষ করে ভারতীয় সমাজের সেই অংশের মধ্যে, যারা ইসরায়েলের পেশিশক্তিনির্ভর নীতির প্রতি গভীর অনুরাগী’।
ভারতের ডানপন্থী মহল থেকে মোদির প্রতি বারবার ইসরায়েলের মতো নীতি নেওয়ার আহ্বান এসেছে। ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে দমন-পীড়ন থেকে শুরু করে প্রতিবেশী পাকিস্তানে হামলা চালানো পর্যন্ত—নানা ক্ষেত্রে এমন দাবি উঠেছে।
সুরি বলেন, ইসরায়েলের দিকে ভারতের এই ঝুঁকে পড়া গাজায় চলমান জাতিগত নিধনের আগে থেকেই শুরু হয়েছে। সাবেক এই কূটনীতিকের ভাষায়, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদির আমলে যে সম্পর্ক মূলত গোপন বা আড়ালে ছিল, তা এখন অনেক বেশি প্রকাশ্য হয়ে উঠেছে।’
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের আরেকটি স্তম্ভের কথা উল্লেখ করে সুরি আল–জাজিরাকে বলেন, ‘দিল্লি স্বীকার করে, ইসরায়েল খুবই শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা অংশীদার। নিরাপত্তা নিয়ে দুই দেশের দৃষ্টিভঙ্গিতে সত্যিকারের মিল রয়েছে।’
ইউরোপে ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠতম মিত্রদের কয়েকটি এখন শুধু সমালোচনায় থেমে নেই। গাজায় জাতিগত নিধন এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে তারা সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিয়েছে। ইউরোপের অন্তত ১১টি দেশ ও কানাডা অবৈধ ইসরায়েলি বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের ওপর বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
অনেক দেশ অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনকারী ও তাদের বিভিন্ন নেটওয়ার্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এসব বসতি স্থাপনকারী ও নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর সংঘবদ্ধ হামলা চালানোর অভিযোগ রয়েছে। স্মোতরিচ ও বেন-গভিরের মতো মন্ত্রীদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশগুলো।
ভারত অবশ্য উপদেশমূলক বক্তব্য আর যুদ্ধ এবং পশ্চিম তীরে হামলার মৃদু বিরোধিতার বাইরে কিছুই করেনি।
কূটনৈতিকভাবে নয়াদিল্লি এখনো দ্বি–রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান সমর্থন করে। অঞ্চলটিতে ত্রাণ প্রবেশের সুযোগ ও শান্তির আহ্বানও জানিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে দায়িত্ব পালন করা সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক সুরি বলেন, নয়াদিল্লির ‘এসব বিষয়ে আরও নীতিনিষ্ঠ অবস্থান নিতে পারা উচিত’।
তবে নিজের দায়িত্ব পালনকালের অভিজ্ঞতা থেকে সুরি আরও বলেন, ‘ইসরায়েল ও ভারতের সরকারের মধ্যে রাজনৈতিক পর্যায়ে এতটাই ঘনিষ্ঠ মিল রয়েছে যে (ভারতে) ইসরায়েলের সমালোচনা করতে অনীহা দেখা যায়।’
সুরি আল–জাজিরাকে ব্যাখ্যা করে বলেন, এই অনীহা নানাভাবে প্রকাশ পায়। বসতি স্থাপনকারীদের হামলার সমালোচনা করতে অস্বীকৃতি; গাজায় নৃশংস বলপ্রয়োগের সমালোচনা করতে অস্বীকৃতি; ইরানে হামলার সমালোচনা করতে এবং আন্তর্জাতিক রীতিনীতির লঙ্ঘন তুলে ধরতে অস্বীকৃতি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক কিদওয়াই বলেন, পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের পার্থক্য আছে। ভারতের বর্তমান নেতাদের ‘সেই ধরনের গতিশীল চিন্তার ঘাটতি রয়েছে; তাঁরা বরং অনেক বেশি গোঁড়া’।
গাজায় নেতানিয়াহুর নৃশংস ও প্রাণঘাতী হামলায় এমনকি ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসও ক্ষুব্ধ হয়েছে। অথচ সেখানে দুই দলই ইসরায়েলকে সমর্থন করে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে লেবাননে ইসরায়েলের বোমা হামলায় সমর্থন বন্ধের হুমকি দিয়েছিলেন। আবার একই সময়ে তিনি ইসরায়েলের কাছে বিপুল অস্ত্র বিক্রির অনুমোদনও দিয়েছেন।
তবে কোনো কিছুই নেতানিয়াহুর সঙ্গে মোদির সৌহার্দ্যে চিড় ধরাতে পারেনি।
বরং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে আগ্রাসন চালানোর ঠিক আগে মোদি ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েল সফর করেন। ওয়াশিংটনভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইসরায়েল/ফিলিস্তিন কর্মসূচির পরিচালক ম্যাক্স রোডেনবেক আগে আল–জাজিরাকে বলেছিলেন, এই সফর ছিল ‘নেতানিয়াহুর প্রতি প্রায় ব্যক্তিগত অনুগ্রহ’। তাঁর মতে, ইসরায়েলে ঠিক যখন নির্বাচনী প্রচার শুরু হচ্ছে, তখন এই সফর ‘আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে নেতানিয়াহুর ভাবমূর্তি বাড়িয়েছে’।
আগের দশকগুলোতে কোনো ভারতীয় নেতার কাছ থেকে এমন পদক্ষেপ অকল্পনীয় ছিল।
১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিল ভারত। একসময় নয়াদিল্লিতে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ককে ভালো চোখে দেখা হতো না। এর পেছনে ছিল ভারতের ঔপনিবেশিকতাবিরোধী অতীতের উত্তরাধিকার। তবে অন্তত ১৯৭০-এর দশক থেকে দুই দেশের মধ্যে গোপন সম্পর্ক ছিল।
১৯৭৫ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জায়নবাদকে বর্ণবাদের একটি রূপ আখ্যা দিয়ে প্রস্তাব আনা হয়। ভারত সেই প্রস্তাব সমর্থন করেছিল। ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থাকে (পিএলও) স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম অনারব দেশও ভারত। ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে বিশ্বে সবার আগে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলোর মধ্যেও ভারত ছিল। ইসরায়েলের সঙ্গে ভারত কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে ১৯৯২ সালে। এরপর বিভিন্ন সরকার ধীরে ধীরে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়েছে। তবে ২০১৭ সালে মোদিই প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশটি সফর করেন।
কংগ্রেস এখন বিরোধী দলে। তবে মোদির আগে স্বাধীনতাপরবর্তী বেশির ভাগ সময় দলটিই ভারত শাসন করেছে। কিদওয়াই বলেন, কংগ্রেস ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থনকে মুসলিম ভোটারদের কাছে টানার ক্ষেত্রেও সহায়ক মনে করত। শুধু ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানেই ভারতের চেয়ে বেশি মুসলিমের বাস। এর বিপরীতে মোদির হিন্দু-প্রথম রাজনীতি ভারতীয় মুসলিমদের ‘অপর’ করে তোলার ওপর ভর করে বিকশিত হচ্ছে।
কিদওয়াই আল–জাজিরাকে বলেন, মোদির দল মনে করে, ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থান নিয়ে তাদের লাভের কিছু নেই; বরং মোদি ইসরায়েলে হামলাকে তথাকথিত সন্ত্রাসের রাজত্ব ও ইসলামি উগ্রবাদের সঙ্গে জুড়ে দিতে চেয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুক্তি দাঁড় করাতে চেয়েছেন। আর সেই গণ্ডির মধ্যেই সবকিছুর যৌক্তিকতা খুঁজে নেওয়া হয়।
সূত্র: প্রথম আলো
সম্পর্কিত সংবাদ
রিয়াদ বিমানবন্দরে আবারও হামলা, উড়োজাহাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত
৯ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১২:২৮ PM · প্রথম আলো
তৃণমূলের ১০ বিধায়কের পদ বাতিলের আবেদন খারিজ করলেন স্পিকার
৯ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:৫৫ AM · প্রথম আলো
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: হুতিবিরোধী অভিযানে সেনা পাঠাবে না তুরস্ক
৯ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:২১ AM · প্রথম আলো
প্লেগ–রহস্য: রাশিয়ায় সত্যিই কি নতুন করে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে
৯ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১০:৫৯ AM · প্রথম আলো
নোবেল শান্তি পুরস্কার আমারই পাওয়া উচিত, কিন্তু তারা আমার মতো মানুষদের দিতে চায় না: ট্রাম্প
৮ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১২:১৩ PM · প্রথম আলো
পশ্চিমবঙ্গের তথ্য ও সংস্কৃতি উপদেষ্টা হলেন মিঠুন চক্রবর্তী
৮ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:২১ AM · প্রথম আলো
