শাহজাদপুর সংবাদ

স্টার্কের বলে ফিরলেন সাদমান, বাংলাদেশের প্রথম উইকেট

১৩ আগস্ট, ২০২৬ এ ৫:৫৫ AM

স্টার্কের বলে ফিরলেন সাদমান, বাংলাদেশের প্রথম উইকেট

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৭ ওভারে ২৭/০

মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউডকে ভালোভাবেই সামলাচ্ছেন সাদমান ও তানজিদ। ৭ ওভারে ২৭ রান তুলেছেন দুজন। ১৬ রানে অপরাজিত সাদমান, তানজিদ ৫ রানে।

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩ ওভারে ১১/০

টি–টুয়েন্টি স্টাইলে শুরুতেই বড় শট খেলতে চাইলেন তানজিদ। তাতে ক্যাচ তুলেছিলেন পয়েন্টে। নাথান লায়ন ক্যাচটা নিতে পারেননি।

অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৫৩ ওভারে ১৯৮/১০

ডারউইনে নিজেদের সামর্থ্য দেখালেন বাংলাদেশের পেসাররা। অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে দিল মাত্র ১৯৮ রানে। হাসান মাহমুদ করলেন ক্যারিয়ারসেরা বোলিং। ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন তিনি। টেস্টে এটি বাংলাদেশের পেসারদের তৃতীয় সেরা বোলিং।

তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও ইবাদত হোসেন। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন–ইবাদত। টেস্টে দ্বিতীয়বারের মতো এক ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের পেসাররা।

এর আগে ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে এক ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়েছিলেন পেসাররা। সেই ইনিংসেও ৫ উইকেট পেয়েছিলেন হাসান।

এবার অস্ট্রেলিয়ায় ৫ উইকেট পেলেন হাসান। এর আগে ভারত ও পাকিস্তানে ৫ উইকেট পেয়েছেন এই পেসার। ইংল্যান্ডে কাউন্টি ক্রিকেটেও ৫ উইকেট আছে হাসানের।

অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৫২ ওভারে ১৯৭/৯

৫১ তম ওভারের পঞ্চম বলে হাসান মাহমুদকে এগিয়ে এসে মারার চেষ্টা করে ক্যাচ তুলে আউট হলেন স্মিথ। ৭১ রানে ফিরলেন তিনি।

৫ উইকেট পেলেন হাসান। বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে প্রতিপক্ষের মাটিতে টেস্টে সর্বোচ্চ তিনবার ৫ উইকেট নিলেন হাসান। দুর্দান্ত বোলিং করছেন।

ডারউইনে প্রতিটি রানই এখন ‘সোনা’। দ্রুত শেষ উইকেট নিতে হবে বাংলাদেশকে।

অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৪৮ ওভারে ১৮৩/৮

দ্বিতীয় সেশন শেষে

প্রথম সেশনের মতো দ্বিতীয় সেশনটাও বাংলাদেশের। এই সেশনেও বাংলাদেশ উইকেট নিয়েছে ৪টি। প্রথম সেশনে ৭৪ রান করা অস্ট্রেলিয়া এই সেশনে তুলেছে ১০৯ রান।

লাঞ্চের পর থেকেই দ্রুত গতিতে রান তোলার চেষ্টা করেছে অস্ট্রেলিয়া। স্মিথের সঙ্গে মিলে এই কাজটা করছিলেন অ্যালেক্স ক্যারি।

ক্যারিকে বোল্ড করে ৫৫ রানের জুটি ভাঙেন ইবাদত। এরপর বো ওয়েবস্টারের সঙ্গে স্মিথের জুটি থেকে আসে ১৫ বলে ২৩ রান। দারুণ এক ডেলিভারিতে ওয়েবস্টারকে ফেরান তাসকিন। প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ককে আউট করেছেন হাসান।

অস্ট্রেলিয়ার রান আরও কম হতেও পারত। দুই স্পিনার তাইজুল ও মিরাজ পেসারদের যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি। ফিল্ডাররাও গড়পড়তা মানের ফিল্ডিং করেছেন। তবুও তিন পেসারের দাপটে ডারউইন টেস্টে এখন পর্যন্ত এগিয়ে বাংলাদেশই।

অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৪৭ ওভারে ১৭৬/৮

এবার ফিরলেন মিচেল স্টার্ক। হাসানের অফ স্টাম্পের বাইরে গুড লেংথের বলে ব্যাট চালিয়ে লিটনের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন স্টার্ক। ম্যাচে এটি হাসানের চতুর্থ উইকেট।

অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৪৫ ওভারে ১৭২/৭

বোলিংয়ে পরিবর্তন এনে আবারও সাফল্য পেল বাংলাদেশ। অফ স্টাম্পের বাইরে ব্যাক অব লেংথের বল। হাসানের করা বলটি বাইরে সিম করে বেরিয়ে যায়। কামিন্স ছেড়ে না দিয়ে ব্যাট চালান। ফল? উইকেটের পেছনে লিটন দাসের হাতে সহজ ক্যাচ।

ম্যাচে এটি হাসানের তৃতীয় উইকেট।

অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৪২ ওভারে ১৬৩/৬

পেসারদের দারুণ বোলিংয়ের মধ্যে গড়পড়তা মানের ফিল্ডিং করছেন ফিল্ডাররা। মাত্রই ম্যাচের ৪১তম ওভারে তাসকিনের বলে অযথা থ্রো করে চার দিয়েছেন তাইজুল। এর আগে স্লিপে ক্যাচ ছেড়েছেন তানজিদ। মিরাজও স্লিপে ফিল্ডিং মিস করে দিয়েছেন বাউন্ডারি।

অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৪০ ওভারে ১৫৭/৬

দারুণ ডেলিভারি! একেবারে টেস্ট ম্যাচের আদর্শ বল। অফ স্টাম্পের বাইরে ব্যাক-অব-লেংথের বল। ওয়েবস্টার ভুল লাইনে ব্যাট চালিয়ে হয়েছেন বোল্ড। ম্যাচে তাসকিনের দ্বিতীয় উইকেট এটি। এর আগে আউট করেছেন ক্যামেরন গ্রিনকে।

ওয়েবস্টার ফেরার পর ফিফটি পেয়েছেন স্মিথ। টেস্টে এটি তাঁর ৪৫তম ফিফটি। টেস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে সেঞ্চুরি নেই স্মিথের। ২ রানে জীবন পাওয়া স্মিথ কি সেঞ্চুরি পাবেন?

অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৩৭ ওভারে ১৩৮/৫

ইবাদত টু ক্যারি, আউট, বোল্ড!

অফ স্টাম্পের বাইরে পড়া বলটি কিছুটা ভেতরে ঢুকেছিল। কাভারের দিকে পাঞ্চ করতে চেয়েছিলেন ক্যারি। কিন্তু ব্যাটের ভেতরের কানায় লেগে বল চলে যায় স্টাম্পে।

আগেও এই চ্যানেলে ক্যারিকে কিছুটা অস্বস্তিতে দেখা গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সেই দুর্বলতাই কাজে লাগালেন ইবাদত।

অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৩৪ ওভারে ১২৬/৪

লাঞ্চের পর থেকেই দারুণ ব্যাটিং করছেন স্মিথ–ক্যারি জুটি। প্রায় প্রতি ওভার থেকেই রান বের করে নিচ্ছেন দুজন। ডানহাতি–বাঁহাতি কম্বিনেশনে বাংলাদেশের বোলাররাও ধারাবাহিকভাবে এক জায়গায় বোলিং করতে পারছেন না। দ্বিতীয় সেশনে এখন পর্যন্ত হওয়া ১২ ওভারে অস্ট্রেলিয়া রান করেছে ৫২।

অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ২২ ওভারে ৭৪/৪

২৩ বছর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ দল। কিন্তু আজ প্রথম দিনে প্রথম সেশনের বোলিং দেখে মনে হয়েছে কন্ডিশনটা বাংলাদেশেরই চেনা, অস্ট্রেলিয়ার অচেনা!

মারারা স্টেডিয়ামের উইকেটে সবুজ ঘাসের ব্যবহারটা দারুণ করেছেন বাংলাদেশের তিন পেসার হাসান মাহমুদ, তাসকিন আহমেদ ও ইবাদকত হোসেন। শুরুতে স্টাম্প বরাবর, তারপর অফ স্টাম্পের একটু বাইরে কল্পিত চতুর্থ স্টাম্প ধরে টানা বোলিংয়ের পুরস্কার পেয়েছেন তিন পেসারই।

অস্ট্রেলিয়ার হারানো ৪ উইকেটের দুটি পড়েছে স্লিপে নেওয়া ক্যাচে। একটি প্লেড-অন এবং অন্যটি শর্ট মিডউইকেটে। স্মিথ ২ রানে থাকতে ইবাদতের বলে স্লিপে তাঁর ক্যাচ ছাড়েন তানজিদ। নইলে উইকেট পড়ত আরও একটি।

দুই ওপেনার ট্রাভিস হেড ও জেক ওয়েদারাল্ডকে তুলে নিয়ে শুরুটা করেন হাসান। লাবুশেনকে ফেরান ইবাদত, গ্রিনকে তাসকিন। ১১.৪ ওভার থেকে ২২ ওভার---এই ৬২ বলের মধ্যে পড়েছে অস্ট্রেলিয়ার ৪ উইকেট। রান উঠেছে ২৯।

৭ রানে অপরাজিত স্মিথ। গ্রিন আউট হওয়ার পর নতুন ব্যাটসম্যান নামেননি। লাঞ্চের বিরতি দেওয়া হয়।

ওপেনিংয়ে ৪৫ রানের জুটি ছাড়া আর কোনো জুটি বড় হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। প্রথম সেশনটি অবশ্যই বাংলাদেশের।

তাসকিন ৮-১-২৬-১

হাসান ৭-১-২৫-২

ইবাদত ৭-২-১৭-১

তাসকিনও যোগ দিলেন উইকেট নেওয়ার আনন্দ-উদ্‌যাপনে!

২২ তম ওভারের শেষ বলে তাসকিনকে অন সাইডে ওপরে খেলতে গিয়ে শর্ট মিড উইকেটে মুশফিকুর রহিমকে ক্যাচ দেন ক্যামেরন গ্রিন। ১৩ রানে ফিরলেন তিনি।

মধ্যাহৃভোজনের আগে চতুর্থ উইকেট বাংলাদেশের। তাসকিনের প্রথম উইকেট। স্মিথ ৭ রানে অপরাজিত।

১১.৪ ওভার থেকে ১৮.২ ওভার---এই ৪০ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। রান উঠেছে ১৬। বাংলাদেশের পেসারদের ভালো জায়গায় বোলিংয়ের পুরস্কার।

অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ১৯ ওভারে ৬৪/৩

টেস্টের চিরাচরিত আউট।

১৯ তম ওভারে ইবাদতের দ্বিতীয় বলটি লাবুশেন ছাড়লে কোনো ক্ষতি হতো না। অভ্যাসবশত খেলতে গিয়ে খোঁচা মেরে দ্বিতীয় স্লিপে নাজমুলকে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন। ১ রান করেছেন লাবুশেন। বাজে সময় তাঁর চলছেই। স্যালুটে উদ্‌যাপন ইবাদতের। ধারাভাষ্যকার ও অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ওপেনার মার্ক ওয়াহর ভাষায়, ‘নাথিং শট...বাংলাদশ আর অন টপ হেয়ার!’

ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান ক্যামেরন গ্রিন। স্মিথ ৭ রানে অপরাজিত।

অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ১৭ ওভারে ৫৬/২

ইবাদতের করা ১৭ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে তৃতীয় স্লিপে স্মিথের ক্যাচ নিতে পারেননি তানজিদ তামিম। তখন তাঁর রান ২। বল ব্যাটে লেগে বেশ নিচু হয়ে এলেও ক্যাচটি নেওয়ার মতো ছিল। স্মিথের মতো ‘বিগ ফিশ’ ব্যাটসম্যানের ক্যাচ ছাড়ার চড়া মূল্য দিতে হতে পারে বাংলাদেশকে।

অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ১৬ ওভারে ৫৫/২

হাসান ৭-১-২৫-২। দুর্দান্ত!

কিন্তু তাঁকে বিশ্রাম দিয়ে বোলিংয়ে তাসকিনকে ফিরিয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল। ১৬ তম ওভারে ৩ রান দিয়েছেন তাসকিন।

অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ১৪ ওভারে ৫২/২

ভালো জায়গায় বল করে যাওয়ার পুরস্কার!

মাঝে দু-একটি বাজে বল করলেও অফ স্টাম্প বরাবর বোলিং করাটা ছিল হাসানের লাইন-লেংথ। রাউন্ড দ্য উইকেট থেকে সেটা করেই ট্রাভিস হেডকে ফেরালেন হাসান। ১৪ তম ওভারে চতুর্থ বলে ভালো লেংথ থেকে বল ভেতরে ঢুকে তাঁর ব্যাটে লেগে স্টাম্পের বেলস ফেলে দেয়।

২২ রানে ফিরলেন হেড। চারে নেমেছেন স্টিভেন স্মিথ।

অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ১২ ওভারে ৪৫/১

অফ স্টাম্পের বাইরে ড্রাইভের লোভ দেখানো কয়েকটি বল আগেও করেছেন হাসান। ওয়েদারাল্ড সেই নিমন্ত্রণ গ্রহণ করে একটি চারও পেয়েছেন। ১২ তম ওভারের চতুর্থ বলে এমনই এক বলে ড্রাইভ খেলতে গিয়ে ভুল করেন ওয়েদারাল্ড। বল ব্যাটের কানা নিয়ে উইকেটকিপার লিটনের গ্লাভসে জমা পড়ে। আউট! ফক্স ক্রিকেটের ধারাভাষ্যকার কেরি ও’কিফ বললেন,‘বাংলাদেশের উইকেটটি প্রাপ্য ছিল।’

২৩ রানে ফিরলেন ওয়েদারাল্ড। তিনে নেমেছেন লাবুশেন। হেড ১৫ রানে অপরাজিত। হাসানের উইকেট মেডেন ওভার।

নবম ওভারে বোলিংয়ে প্রথম পরিবর্তন। আক্রমণে ইবাদত হোসেন।

হেডকে দুবার পরাস্ত করেছেন দারুণ ডেলিভারিতে। পঞ্চম বলে এলবিডব্লুর আবেদনে রিভিউ নিয়ে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ।

মেডেন ওভার নিয়ে ভালো শুরু ইবাদতের।

অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ৮ ওভারে ৩১/০

হাসানকেই বেশি উজ্জ্বল লাগছে। বল দুই দিকেই সুইং করাচ্ছেন ভালো লেংথ থেকে। বল ওঠায় খেলতে অসুবিধা হচ্ছে হেড ও ওয়েদারাল্ডের। অস্বস্তিতে রেখেছেন দুই ওপেনারকে।

ষষ্ঠ ওভারেও হাসানের বলে ‘বিট’ হন ওয়েদারাল্ড। একটু বেশি সাবধানি লাগছে তাঁকে। অষ্টম ওভারে হাসান রাউন্ড দ্য উইকেট এসেও স্বস্তি দেননি হেড-ওয়েদারাল্ডকে। তবে শেষ বলে বাজে হাফ ভলিতে চার হজম করেন ওয়েদারাল্ডের ব্যাটে।

ওয়েদারাল্ড ১৪ ও হেড ১০ রানে অপরাজিত।

অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ৪ ওভারে ১৩/০

খেলা ‍শুরুর আগে ফক্স ক্রিকেটকে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ট্রাভিস হেড মারারা স্টেডিয়ামের উইকেট নিয়ে বলেছেন, ‘দেখে বেশ শক্ত মনে হচ্ছে। ঘাসও আছে।’

হাসানের করা তৃতীয় ওভারেও ঘাসের প্রভাবটা বোঝা গেল। বল একটু উঠছে এবং সুইংও আছে। তাঁর তৃতীয় বলে হেড মিসটাইমিং করে ক্যাচ তুললেও স্ট্রেটে নিরাপদ জায়গায় পড়েছে বল। পঞ্চম বলটি ছিল এই উইকেটে কোনো পেসারের স্বপ্নের ডেলিভারি। ভালো লেংথ থেকে ছোবল মেরে ভেতরে ঢুকে ‘বিট’ করেছে ওয়েদারাল্ডের ব্যাটকে।

বাংলাদেশ কি নাহিদ রানাকে মিস করছে? অবশ্যই। চোটের কারণে তাঁকে এই সিরিজে দেখা যাবে না।

অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস: ২ ওভারে ১১/০

জানাই ছিল নতুন বলে এ দুই পেসারই শুরু করবেন।

তাসকিন প্রথম ওভারে দিলেন ৫ রান। ট্রাভিস হেডকে একবার পায়ের ওপর ‘বিট’ করেছেন। ধারাভাষ্যকার গিলক্রিস্ট ওভারটির প্রশংসা করলেন। সুষম বাউন্স পেয়েছেন এবং লাইন-লেংথ ভালো ছিল।

দ্বিতীয় ওভারে হাসান মাহমুদ চতুর্থ বলে পরাস্ত করেন ওয়েদারাল্ডকে। দারুণ লেংথ থেকে তোলা ডেলিভারি! ৬ রান দিয়েছেন হাসান।

ওয়েদারাল্ড ৪ ও হেড ৫ রানে অপরাজিত। দুজনেই একটি করে চার মেরেছেন।

মাঠে দুই দল। জাতীয় সঙ্গীত চলছে। তার আগে সিরিজের ট্রফি নিয়ে মাঠে প্রবেশ করেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার জেসন গিলেস্পি। বাংলাদেশ সমর্থকদের কাছে খুব পরিচিত নাম। বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০০৬ সালে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি আছে তাঁর। টেস্ট ইতিহাসে ‘নাইটওয়াচম্যান’ হিসেবে এটাই সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস। সেটারই ২০ বছর পূর্তি হলো এ বছর।

ধারাভাষ্যকার ভুল করে বাংলাদেশ দলের অধিনায়কের নাম বললেন, ‘মুমিনুল হক সৌরভ।’

মানুষ মাত্রই ভুল করে।

ট্রাভিস হেড, জেক ওয়েদারাল্ড, মারনাস লাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটকিপার), বো ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), মিচেল স্টার্ক, নাথান লায়ন ও জশ হ্যাজলউড।

অস্ট্রেলিয়া দলে বিশেষজ্ঞ পেসার তিনজন। বিশেষজ্ঞ স্পিনার একজন এবং একজন পেস বোলিং অলরাউন্ডার।

তানজিদ হাসান, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, ইবাদত হোসেন ও হাসান মাহমুদ।

তিন পেসার ও দুজন স্পিনার নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ।

টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ দল। আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।

টসের সময় বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল বলেন, ‘এখানে থাকতে পেরে ভীষণ গর্বিত। খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।’ কামিন্সের কণ্ঠেও একই সুর, ‘এই মুহূর্তের অপেক্ষায় ছিলাম।’

স্বাভাবিক। এই ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘ ব্যস্ততার এক মৌসুম।

২০০৩ সালে সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। এরপর অস্ট্রেলিয়া–বাংলাদেশ টেস্ট হয়েছে আরও চারটি। ওই চারটি ম্যাচই হয়েছে বাংলাদেশের মাটিতে।

টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স কেমন, তা জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে।

টেস্টে বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া: ২০০৩–এর দুঃস্বপ্ন, ২০১৭–এর ইতিহাস

এবার দুই ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে নাজমুল হোসেনের দল। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে সেই ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ।

ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ। ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটাই প্রথম টেস্ট বাংলাদেশ দলের। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে দুই টেস্টেই ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। এবার কি হবে?

টেস্টের পাঁচ দিনেই ভালো ক্রিকেট খেলতে চান বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন। অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের কণ্ঠেও ফুটেছে বাংলাদেশ দলের প্রতি সমীহ। এবার মাঠে প্রমাণের পালা।

মারারা স্টেডিয়ামের কন্ডিশন ও পিচের আচরণ অস্ট্রেলিয়া দলের কাছে খুব পরিচিত নয়। কারণ এই মাঠে টেস্ট ম্যাচ হচ্ছে ২২ বছর পর। ডারউইনে কেন এতদিন পর টেস্ট ম্যাচ হচ্ছে তা জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে।

২২ বছর ধরে কেন ‘টেস্টলেস’ ডারউইন

অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশ দলের খবর জানাতে ডারউইনে আছেন প্রথম আলোর ক্রীড়া সম্পাদক তারেক মাহমুদ এবং আলোকচিত্রী শামসুল হক।

সূত্র: প্রথম আলো

সম্পর্কিত সংবাদ