সিরাজগঞ্জে ঘুরতে গিয়ে কোথায়-কী খাবেন, এই ৭ জায়গা চেনেন?
১ নভেম্বর, ২০২৬ এ ১০:২৩ PM

Copyright: Any unauthorized use or reproduction of The Daily Star content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.
সিরাজগঞ্জ শুধু এর তাঁতশিল্প বা যমুনা সেতুর জন্যই নয়, ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু খাবারের জন্যও বিখ্যাত। যমুনার তাজা মাছ, গরুর মাংসের ভুনা, গরম পানতোয়া আর ঐতিহ্যবাহী পিটুলী—প্রতিটি পদেই জেলার খাবারের অনন্য স্বাদ লুকিয়ে আছে।
পথের মোড়ে পুরোনো হোটেল, রেলওয়ে স্টেশনের ব্যস্ত দোকান আর বিখ্যাত সব মিষ্টির দোকান সিরাজগঞ্জকে ভোজনরসিকদের কাছে এক অনন্য গন্তব্যে পরিণত করেছে। তাই সিরাজগঞ্জে ঘুরতে গেলে এই সাত জায়গা ও খাবারের স্বাদ নিতে ভুলবেন না।
প্রায় দুই দশক আগে যাত্রা শুরু করা এই হোটেল স্থানীয়দের কাছে খুবই জনপ্রিয়। ঘরোয়া স্বাদের খাবার, বিশেষ করে যমুনা নদীর টাটকা মাছের জন্য এটি পরিচিত। শুরুটা ছোট পরিসরে হলেও এখন এতে বেশ ব্যস্ততা।
এখানে চিংড়ি ও গরুর মাংসের পদ বেশ জনপ্রিয় হলেও কাজলি, আইড়ের মতো মৌসুমি মাছ, মুরগির মাংস ও মাষকলাইয়ের ডালও পাওয়া যায়। চিংড়ি ১৫০ টাকা, গরুর মাংস ১৮০ টাকা এবং আইড় মাছের দাম ৩০০ টাকা থেকে শুরু হয়। সাধারণ যেকোনো দিন এখানে ১০০ থেকে ১৫০ কেজি গরুর মাংস রান্না হয় এখানে। ছুটির দিনে চাহিদা আরও বাড়ে।
মূলত পানতোয়ার জন্য বিখ্যাত এই দোকান। গরম গরম পরিবেশন করা পানতোয়ায় মিষ্টির পরিমাণ থাকে একদম পরিমিত। প্রতিটির দাম ৪০ টাকা। এ ছাড়া দোকানটি দইয়ের জন্যও বেশ পরিচিত। যারা স্থানীয় খাবারের বৈচিত্র্য খুঁজছেন, তাদের জন্য রনি মিষ্টান্ন ভান্ডার এক দারুণ ঠিকানা।
জামতৈল স্টেশনের ‘ভাই ভাই নেহারি-হালিম’ মসলাদার ও সুস্বাদু খাবারের জন্য পরিচিত। তৃপ্তিদায়ক খাবারের খোঁজে থাকলে এখানকার নেহারি ও হালিম সেরা পছন্দের তালিকায় রাখতে হবে। দাম মাত্র ৫০ টাকা থেকে শুরু। যারা একটু স্পেশাল চান, তাদের জন্য ৩০০ টাকা।
সিরাজগঞ্জের অন্যতম পুরোনো ও বিখ্যাত মিষ্টির দোকান ‘সুব্রত সুইটস’। এখানে নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি পাওয়া যায়। এর মধ্যে অনন্য ‘অবাক সন্দেশ’। স্থানীয়দের কাছে সকালের নাশতার জন্যও এই দোকান বেশ জনপ্রিয়। লুচি, ডাল, মিষ্টি আর এক কাপ গরম চা দিয়ে দিন শুরু করতে অনেকেই এখানে আসেন। তবে সকালের নাশতা দ্রুত শেষ হয়ে যায় বলে একটু ভোরে যেতে হয়।
সলপ রেলওয়ে স্টেশনের পাশের এই দোকানটি ঘোলের জন্য বিখ্যাত। এখানে মাঠা ও দই পাওয়া যায়। চিড়া বা মুড়ির সঙ্গে ঘোলের ব্যবস্থাও আছে। প্রতি গ্লাস ঘোলের দাম মাত্র ৩০ টাকা, যা ভ্রমণের ক্লান্তি দূর করতে দারুণ কার্যকর।
স্থানীয়দের সকালের নাশতার অন্যতম প্রিয় ঠিকানা ‘কল্পনা সুইটস’। এখানকার মেনুতে থাকে গরম ফুলকো লুচি, মৌসুমি সবজির তরকারি। সাধারণ অথচ তৃপ্তিদায়ক এই নাশতার শেষে থাকে গরম রসগোল্লা।
‘পিটুলী’ সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী একটি মাংসের পদ। মূলত উৎসব বা দাওয়াতে বাড়িতে এটি তৈরি করা হয়। তবে রতনকান্দি হাটের বেশ কিছু দোকানে এই খাবার পাওয়া যায়। স্থানীয়দের কাছে খোঁজ করলে তারা সবচেয়ে পুরোনো দোকানে নিয়ে যাবেন। সিরাজগঞ্জের খাবারের স্বাদ নিতে চাইলে ঘরোয়া পিটুলী তালিকায় রাখা উচিত।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
সম্পর্কিত সংবাদ
শীতের আগেই আখের গুড় তৈরিতে ব্যস্ত সিরাজগঞ্জের চাষিরা
২ নভেম্বর, ২০২৬ এ ১০:৪১ AM · Sarabangla
তাড়াশে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন
২ নভেম্বর, ২০২৬ এ ৮:১৮ AM · দৈনিক সিরাজগঞ্জ সংবাদ
সাফল্য ধরে রেখে এইচএসসিতেও জিপিএ–৫ পেলেন অদম্য মেধাবী সাদিয়া তাসনিম
১ নভেম্বর, ২০২৬ এ ১১:০৪ PM · প্রথম আলো
জুড়ীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রাইজমানি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
১ নভেম্বর, ২০২৬ এ ১১:০১ PM · দৈনিক সিরাজগঞ্জ সংবাদ
৭ নভেম্বরের কর্মসূচি সফল করতে রাজশাহী মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা
১ নভেম্বর, ২০২৬ এ ১০:৫১ PM · দৈনিক সিরাজগঞ্জ সংবাদ
সিরাজগঞ্জে বাস-অটোভ্যান সংঘর্ষে চালকসহ নিহত ২, এক নারী আহত
১ নভেম্বর, ২০২৬ এ ১০:১৩ PM · dbcnews.tv
