শাহজাদপুর সংবাদ

সাফ ফুটবল নিয়ে আপনার সব প্রশ্নের উত্তর

৫ নভেম্বর, ২০২৬ এ ১০:৩০ AM

সাফ ফুটবল নিয়ে আপনার সব প্রশ্নের উত্তর

সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ) আয়োজিত দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্ট। সাফভুক্ত সাতটি দেশের জাতীয় ফুটবল দল অংশ নেয় এই টুর্নামেন্টে। গতবার অবশ্য দুটি অতিথি দল অংশ নিয়েছিল।

১৯৯৩ সালে সার্ক গোল্ডকাপ নামে যাত্রা শুরু করে দক্ষিণ এশিয়ান আঞ্চলিক ফুটবল প্রতিযোগিতা। ১৯৯৫ সালে নাম বদলে হয় সাউথ এশিয়ান গোল্ডকাপ। টুর্নামেন্টটি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ নামে পরিচিত ১৯৯৭ সাল থেকে।

এবার বাংলাদেশে হচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৫তম আসর।

নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। টানা দুই বছর দুটি টুর্নামেন্ট যেমন হয়েছে, তেমনি সর্বোচ্চ চার বছরের ব্যবধানও ছিল টুর্নামেন্টে।

এবারের আগে বাংলাদেশে তিনবার হয়েছে টুর্নামেন্ট। এবার চতুর্থবার আয়োজক হয়ে ভারতের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলছে বাংলাদেশ।

ছয়টি দল অংশ নিচ্ছে টুর্নামেন্টে। ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে নেই নেপাল।

ছয়টি দল দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলছে। গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল দুটি করে ম্যাচ খেলবে দুই গ্রুপসঙ্গীর বিপক্ষে। গ্রুপের সেরা দুই দল উঠবে সেমিফাইনালে। এরপর ফাইনাল।

কোন গ্রুপে কারা আছে?

** সব ম্যাচ ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে

১৯৯৩ সালে প্রথম টুর্নামেন্টে খেলেনি বাংলাদেশ। এরপর হওয়া ১৩টি টুর্নামেন্টেই অংশ নিয়ে একবার (২০০৩) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ঘরের মাঠের ফাইনালে টাইব্রেকারে মালদ্বীপকে ৫-৩ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। টাইব্রেকারের আগে ১-১ সমতা ছিল ম্যাচটি। বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ঠিক আগের ও পরের টুর্নামেন্টেও ফাইনালে উঠেছিল। বাংলাদেশ এই তিনবারই ফাইনালে খেলেছে।

এবারের আগে ১৪টি টুর্নামেন্টেই অংশ নেওয়া ভারতই সাফের সবচেয়ে সফল দল। ১৪ বার অংশ নিয়ে নয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দলটি। ভারত শীর্ষ দুইয়ে ছিল না শুধু ২০০৩ সালে। প্রথম দল হিসেবে এবার টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ ভারতের। এর আগে ভারত তিনবার টানা দুবার শিরোপা জিতেছে।

পাঁচটি দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে। ভারত ৯ বার, মালদ্বীপ ২ বার এবং বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা একবার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

সব সময় নয়। এবারের মতো ২০০৯ সালেও জাতীয় দলের নামের আড়ালে অনূর্ধ্ব-২৩ দল নিয়ে খেলে ভারত। তবে ওই দল নিয়েও চ্যাম্পিয়ন হয় তারা।

২০১১ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত তিনটি সাফে অংশ নিয়ে একবার চ্যাম্পিয়ন হওয়া আফগানিস্তান সেন্ট্রাল এশিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হয়ে সাফ ছেড়ে চলে যায়।

২০২৩ সালে অতিথি দল হিসেবে সাফে অংশ নেয় কুয়েত ও লেবানন।

১৯৯৩ সালে প্রথম আসরে পাকিস্তান হোয়াইট নামে পাকিস্তানের জুনিয়র দলও অংশ নেয়। ওই দলের ম্যাচগুলোকে অবশ্য টুর্নামেন্টের হিসাব থেকে বাদ দেওয়া হয়

মালদ্বীপের আলী আশফাক ও ভারতের সুনীল ছেত্রী ২৩টি করে গোল করেছেন।

মালদ্বীপের আলী আশফাক ২০১৩ সালে কাঠমান্ডুতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬ গোল করেন। ম্যাচটি ১০-০ গোলে জেতে মালদ্বীপ। টুর্নামেন্ট ইতিহাসে যা সবচেয়ে বড় জয়।

৫— রোকনুজ্জামান কাঞ্চন, জাহিদ হাসান এমিলি

সূত্র: প্রথম আলো

সম্পর্কিত সংবাদ