ষষ্ঠ থেকে স্নাতকের শিক্ষার্থীরা পাবেন ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অনুদান, যেভাবে আবেদন
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ৮:৪৪ AM

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এককালীন চিকিৎসা অনুদান দেয় সরকার। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে দেওয়া এ অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা চিকিৎসা অনুদান হিসেবে এককালীন ১০ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের এ–সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আগামী ৩১ অক্টোবর ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
চিকিৎসা অনুদান পেতে শিক্ষার্থীকে এই লিংকে প্রবেশ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে দুর্ঘটনার প্রমাণ হিসেবে জেলা সিভিল সার্জন, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক অথবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার প্রত্যয়নকৃত গুরুতর আহতের চিকিৎসা সনদ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা-সংক্রান্ত রিপোর্ট এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র আপলোড করতে হবে।
আবেদন জমা দেওয়ার তিন থেকে চার মাসের মধ্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে অনুদানের অর্থ পাঠানো হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হবে।
দুর্ঘটনা ও হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার সময়কাল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অর্থবছর বা সর্বোচ্চ এক বছরের ব্যবধানের মধ্যে হতে হবে। চিকিৎসা মেয়াদে একজন শিক্ষার্থী কেবল একবারই আবেদন করতে পারবেন।
শিক্ষার্থীকে পূর্বের শ্রেণিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। অথবা এসএসসি ও এইচএসসি (বা সমমান) পর্যায়ে জিপিএ ৫-এর মধ্যে ন্যূনতম ৩ দশমিক ৫০ এবং স্নাতক পর্যায়ে জিপিএ ৪-এর মধ্যে ৩ প্রাপ্তির কপি আপলোড করতে হবে।
সাধারণ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অভিভাবকের বার্ষিক আয় দুই লাখ টাকার কম হতে হবে। তবে সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের সন্তানেরা অফিস প্রধানের প্রত্যয়নপত্র জমা দিয়ে আবেদন করতে পারবেন।
দুর্ঘটনার প্রমাণস্বরূপ জেলা পর্যায়ের সিভিল সার্জন, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক অথবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কর্তৃক ‘গুরুতর আহত’ মর্মে প্রত্যয়নকৃত চিকিৎসা সনদের স্পষ্ট কপি আপলোড করতে হবে।
অনলাইনে আবেদনের সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র, জন্মনিবন্ধন সনদ, মা-বাবার জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষার্থীর ছবি, স্বাক্ষর এবং শিক্ষার্থী বা তার মা-বাবার সচল অনলাইন ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিতে হবে। ব্যাংক হিসাবের প্রমাণ হিসেবে চেকের পাতা বা ব্যাংক স্টেটমেন্টও আপলোড করতে হবে।
শিক্ষার্থী অথবা তাঁর মা-বাবার নামের নিজস্ব অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নম্বর ও সচল মোবাইল নম্বর দিতে হবে। প্রমাণ হিসেবে চেকের পাতা বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট আপলোড করা বাধ্যতামূলক। তবে মা-বাবার অনুপস্থিতিতে বৈধ অভিভাবকের ব্যাংক হিসাব বিবেচনা করা হবে। অসম্পূর্ণ বা ভুল অ্যাকাউন্টের কারণে টাকা বাউন্সড (ফেরত) হলে ট্রাস্ট আর পুনরায় টাকা পাঠাবে না।
কোনো শিক্ষার্থী আবেদনকালে তালিকায় নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম না পেলে প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে ইআইআইএন নম্বর উল্লেখ করে ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে আবেদন পাঠাতে হবে। এই আবেদন ডাকযোগে অথবা ad.stipend@pmeat.gov.bd ই-মেইলে পাঠানো যাবে।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
সূত্র: প্রথম আলো
সম্পর্কিত সংবাদ
ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির উপাচার্য সিতি হামিশাহর বাংলাদেশ সফর
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ১১:২১ PM · প্রথম আলো
পাঠ্যবইয়ে বড় পরিবর্তন আসছে, নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে খালেদা জিয়ার ভূমিকাসহ নতুন কী কী যুক্ত হচ্ছে
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ১২:৩০ PM · প্রথম আলো
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইটিতে পিজিডিআইটি প্রোগ্রাম, ভর্তির বিস্তারিত জেনে নিন
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ১২:১১ PM · প্রথম আলো
ঢাবির উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগে মাস্টার্স, আবেদন ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ৫:৩৯ PM · প্রথম আলো
