শাহজাদপুর সংবাদ

বিটিআইয়ের সাফল্য গ্রাহক সন্তুষ্টি

১১ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১২:৩০ PM

বিটিআইয়ের সাফল্য গ্রাহক সন্তুষ্টি

যুক্তরাজ্যের ব্রুনেল ইউনিভার্সিটি থেকে প্রকৌশলে স্নাতক করা এক তরুণের স্বপ্ন ছিল এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ার, যা স্থাপত্যশৈলী, নির্মাণের মান, গ্রাহকসেবা, অঙ্গীকার রক্ষা ও নির্ভরযোগ্যতায় ‘উৎকৃষ্ট’ হবে। সেই স্বপ্ন নিয়ে ১৯৮৪ সালে যাত্রা শুরু করে রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান বিল্ডিং টেকনোলজি অ্যান্ড আইডিয়াজের (বিটিআই) একটি বড় সাফল্য গ্রাহকের ‘সন্তুষ্টি’ অর্জন।

চার দশক পর প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে দেখা যায়, তারা ৯৫ শতাংশ প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের আগে অথবা সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করেছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, ‘বিটিআইয়ের গ্রাহকেরাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রচারমাধ্যম, চার দশক ধরে তাঁরাই আমাদের কথা বলে আসছেন।’ এর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, কেবল ফ্ল্যাট হস্তান্তরেই দায়িত্ব শেষ করেন না বিটিআইয়ের কর্মীরা; বরং বিক্রয়োত্তর সেবায় কাজ করে যায় দুটি বিভাগ। এর মধ্যে গ্রাহক সম্পর্ক বিভাগ (সিআরডি) হস্তান্তরের পর নির্দিষ্ট সেবাভেদে পাঁচ বছর পর্যন্ত, আর প্রপার্টি সিকিউরিটি ম্যানেজমেন্ট (পিএসএম) আজীবন গ্রাহকের পাশে থাকে।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, মানসম্মত নির্মাণ ও সময়মতো হস্তান্তরই বিটিআইয়ের ব্র্যান্ড প্রতিশ্রুতি। এর পেছনে রয়েছে কঠোর পরিকল্পনা, কারিগরি দক্ষতা, পেশাদারত্ব, নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও প্রকল্প পর্যবেক্ষণ। নির্মাণসামগ্রীর মান যাচাই থেকে কাজের অগ্রগতি তদারকি পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়। তাঁদের মতে, সময়ানুবর্তিতা ও গুণগত মান নিশ্চিতকরণ তাঁদের গ্রাহকের প্রতি দায়বদ্ধতার অংশ।

নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও কঠোর অবস্থানের কথা জানায় প্রতিষ্ঠানটি। অগ্নিনিরাপত্তা, ভূমিকম্পসহনশীল কাঠামো এবং রাজউক ও বিএনবিসির নির্দেশনা মেনে প্রকল্প নির্মাণ করা হয়। নির্মাণকালে শ্রমিক, ভবন, সমাজ ও পরিবেশ—এই চার ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথাও জানান কর্মকর্তারা।

আবাসনের পাশাপাশি গ্রাহকের প্রয়োজনে সেবার পরিধিও বাড়িয়েছে বিটিআই। প্রপার্টি ব্রোকারেজ, বিটিআই বিল্ডিং প্রোডাক্টস, স্কয়ার ফিট স্টোরি ও ল্যান্ডস্কেপিংয়ের মতো সেবা যুক্ত হয়েছে। এখন জোর দেওয়া হচ্ছে ‘ওয়েলনেস কমিউনিটিতে’।

বর্তমানে ঢাকার আদাবর, আফতাবনগর, বসুন্ধরা, ধানমন্ডি, গুলশান, নর্থ গুলশান, মিরপুর, বনানী ও উত্তরায় এবং চট্টগ্রামের নর্থ খুলশী, এস এস খালেদ রোড ও জালালাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে বিটিআইয়ের প্রকল্প চলমান। এ ছাড়া ৩০০ ফিট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নেমেই স্বর্ণালী আবাসনে ছয় বিঘা জমিতে হবে নতুন প্রকল্প ‘অ্যাকুয়ারেল’। এতে পুরোনো দিনের উঠানসহ বাড়ির ধারণা ও সব ঋতুর আমেজ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

বর্তমানের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের আবাসনকে আরও আধুনিক ও টেকসই করার লক্ষ্যে কাজ করার কথা বলছে প্রতিষ্ঠানটি।

সূত্র: প্রথম আলো

সম্পর্কিত সংবাদ