নরসিংদীর শিবপুরে র্যাব পরিচয়ে ট্রাক ভর্তি ৬০ ড্রাম সয়াবিন (পাম অয়েল) তেল ডাকাতির মামলায় আন্ত:জেলা ডাকাত দলের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাহেব আলী পাঠান।
এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুর উপজেলার ঘাসিরদিয়া এলাকায় এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-বগুড়ার সারিয়াকান্দি থানার শংকরপুর উত্তর গ্রামের রুবেল রানা, পটুয়াখালী সদর থানার কেওবনিয়া এলাকার মো. লিটন, ঢাকার খিলগাঁও নন্দীপাড়া বটতলা মাইজপাড়া এলাকার বিজয় ও শেরপুরের শ্রীবর্দি এলাকার মো. আলামিন। তাদের দেওয়া তথ্যমতে লুট হওয়া তেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাহেব আলী পাঠান জানান, গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে কিশোরগঞ্জের এক তেল ব্যবসায়ীর কেনা ৬০ ড্রাম পাম সয়াবিন তেল ভর্তি একটি ট্রাক ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক হয়ে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের সরারচরে ফিরছিল। পথে নরসিংদীর শিবপুরের ঘাসিরদিয়া এলাকায় একটি সাদা রংয়ের নোয়া মাইক্রোবাস ট্রাকটির গতিরোধ করে। এসময় ওই মাইক্রোবাস থেকে র্যাবের পোশাক পরিহিত কয়েকজন নেমে র্যাব পরিচয়ে ট্রাকের চালক ও হেলপারকে তাদের মাইক্রোবাসে উঠায়। পরে তাদেরকে জোরপূর্বক জুসের সাথে নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করিয়ে অচেতন করে তেলের ট্রাকটি অন্যত্র নিয়ে তেল লুট শেষে খালি ট্রাকসহ চালক ও হেলপারকে বিভিন্ন জায়গায় ফেলে রেখে যায়। এ ঘটনায় তেল মালিক মশিউর রহমান বাদী হয়ে গত ১ ফেব্রুয়ারি শিবপুর মডেল থানায় ডাকাতির মামলা করেন।
মামলা করার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও ডাকাতি হওয়া স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বিভিন্ন স্থান থেকে বুধবার রাতে ডাকাতিতে জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তাদের দেওয়া তথ্যমতে শেরপুরের নকলা থানার নকলা বাজারের মেসার্স ওয়ামামা ওয়েল মিলের ভেতর থেকে ২৩টি ড্রাম ভর্তি চার হাজার ৭০০ লিটার পামওয়েল সয়াবিন ও ৩৭টি খালি ড্রাম উদ্ধার করা হয়। এসময় ওই মিলের মালিক স্থানীয় ওয়ালী উল্লাহ গ্রেপ্তারকৃতদের নিকট থেকে তেল কেনার কথা স্বীকার করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাহেব আলী পাঠান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আন্ত:জেলা ডাকাতদলের সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাক, ওয়াকিটকি, সিগন্যাল লাইট ও অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর, টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সুবিধামত তেল, রড ও চাল ভর্তি ট্রাক ডাকাতি করে থাকে। তাদের মধ্যে আলামিনের বিরুদ্ধে চারটি, লিটনের বিরুদ্ধে একটি, বিজয়ের বিরুদ্ধে একটিসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি মামলা রয়েছে। ডাকাতিতে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস, লুণ্ঠিত ট্রাক, তেল ভর্তি ২৩টি ড্রাম ও ৩৭টি খালি ড্রাম জব্দ করা হয়েছে। আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সম্পর্কিত সংবাদ
শাহজাদপুুরে যমুনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধে ধ্বস এলাকায় আতংক
ফারুক হাসান কাহারঃ গতকাল শুক্রবার উপজেলা শহিদ স্মৃতি মিলনায়তন এ বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন শাহজাদপুর... সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় অধ্যক্ষ হাজী এ্যাড. আব্দুল খালেকের ছেলে মোঃ সাজ্জাদ হাসান লিংকন বাদী হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান খোকনসহ... রুলা'র পক্ষ থেকে মাস্ক বিতরন করের এ্যাডভোকেট আহসান হাবিব সোহেল (এপিপি) ও এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান সবুজ(এপিপি) ঈদ উপহারের মধ্যে ছিলো শাড়ি, লুঙ্গি, থ্রিপিছ, পাঞ্জাবি ও ম্যাক্সি
ধর্ম
শাহজাদপুরে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের উদ্দ্যেগে ইফতার মাহফিল
অপরাধ
শাহজাদপুরে শিক্ষকের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ছাত্র-ছাত্রীদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
শাহজাদপুর
এ্যাডঃ জুথীর পক্ষ থেকে শাহজাদপুরে আইনজীবীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ
রাজনীতি
শাহজাদপুরে বিএনপি নেতার ঈদ উপহার বিতরণ
