শাহজাদপুর সংবাদ

সম্পদ পুঞ্জিভূত হওয়া ঠেকাতে ইসলামের রূপরেখা কী

১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ১০:০৬ AM

সম্পদ পুঞ্জিভূত হওয়া ঠেকাতে ইসলামের রূপরেখা কী

একদিকে সম্পদের পাহাড়, অন্যদিকে ঋণ, বেকারত্ব ও জীবনযাত্রার ব্যয় সামলাতে হিমশিম খাওয়া বিপুল জনগোষ্ঠী। এ বৈষম্যমূলক দৃশ্য আধুনিক বিশ্বের জন্যও অপরিচিত নয়।

সম্পদবৈষম্যের এই প্রশ্নে ইসলামের একটি মৌলিক বক্তব্য রয়েছে। কোরআন বলছে, ‘যাতে সম্পদ তোমাদের মধ্যে শুধু ধনীদের মধ্যেই আবর্তিত না হয়।’ (সুরা হাশর, আয়াত: ৭)

আয়াতটি মূলত রাষ্ট্রীয় সম্পদ বণ্টনের একটি নির্দিষ্ট প্রসঙ্গে নাজিল হয়েছে। কিন্তু এর মধ্যে ইসলামি অর্থনীতির একটি মৌলিক নীতিও প্রকাশ পেয়েছে। সেটি হলো, সম্পদের প্রবাহ এমনভাবে সীমাবদ্ধ হয়ে যাওয়া উচিত নয়, যাতে তা ধনী শ্রেণির মধ্যেই ঘুরতে থাকে।

অর্থাৎ ইসলাম এমন সমাজ চায় না, যেখানে অর্থনীতির দরজা সবার জন্য খোলা থাকলেও সম্পদের বড় অংশ শেষ পর্যন্ত একই ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর কাছেই ফিরে যায়।

এ প্রশ্নে প্রথমেই একটি ভুল ধারণা দূর করা প্রয়োজন। ইসলাম ধনী হওয়ার বিরুদ্ধে নয়। কোরআন ব্যবসা-বাণিজ্যকে বৈধ করেছে, ব্যক্তিগত সম্পত্তির অধিকার স্বীকার করেছে এবং মানুষকে পৃথিবীতে জীবিকা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছে।

ইসলাম সম্পদ উপার্জন নিয়ে আপত্তি করে না। আপত্তি করে অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন করা, মানুষের অধিকার নষ্ট করা এবং সম্পদের সামাজিক দায়িত্ব অস্বীকার করা নিয়ে।

একজন ব্যক্তি তার মেধা, শ্রম ও উদ্যোগের মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হতে পারেন। এতে ইসলামের আপত্তি নেই। কিন্তু সেই সম্পদ অর্জিত হচ্ছে কীভাবে, বাজারে অন্যদের সুযোগ নষ্ট করা হচ্ছে কি না এবং সম্পদের সঙ্গে সমাজের প্রতি কোনো দায়িত্ব আছে কি না—এসব প্রশ্ন ইসলামের অর্থনৈতিক নৈতিকতার অংশ।

এ কারণেই কোরআন সম্পদ সঞ্চয় নিয়ে সতর্ক করেছে, ‘যারা সোনা ও রুপা পুঞ্জীভূত করে রাখে এবং আল্লাহর পথে তা ব্যয় করে না, তাদের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দিন।’ (সুরা তাওবা, আয়াত: ৩৪)

এ আয়াতের অর্থ এই নয় যে একজন মানুষ ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করতে পারবে না বা পুঁজি গঠন করতে পারবে না। ইসলামি ফিকহের আলোচনায় বৈধ সম্পদের ওপর প্রযোজ্য জাকাত আদায় করার পরও সম্পদ রাখা যাবে, এ বিষয়ে ফকিহদের বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে।

কিন্তু আয়াতটি একটি নৈতিক প্রশ্ন সামনে আনে যে সম্পদ কি স্রেফ জমিয়ে রাখার বস্তু নাকি এর সঙ্গে সমাজেরও কিছু অধিকার যুক্ত?

ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, দরিদ্রের সাহায্যকে ধনীর ‘দয়া ও করুণা’ হিসেবে দেখা হয়নি। কোরআন বলছে, ‘তাদের সম্পদে ভিক্ষুক ও বঞ্চিতের অধিকার রয়েছে।’ (সুরা জারিয়াত, আয়াত: ১৯)

এখানে শব্দটি হলো হক বা অধিকার। এটি ইসলামি অর্থনীতির দৃষ্টিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ধারণা। ইসলাম নিশ্চিত করেছে যে, সমাজের সম্পদে দরিদ্রের একটি স্বীকৃত অধিকারও রয়েছে।

জাকাতের ব্যবস্থা এই ধারণাকে আরও সুসংগঠিত করেছে। কোরআন বলছে, ‘তাদের সম্পদ থেকে সদকা গ্রহণ করুন; এর মাধ্যমে আপনি তাদের পবিত্র ও পরিশুদ্ধ করবেন।’ (সুরা তাওবা, আয়াত: ১০৩)

আর জাকাতের খাতগুলো নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে সুরা আত তাওবার ৬০ নম্বর আয়াতে। এখানে জাকাতকে নিছক দাতব্য ও সেবামূলক কার্যক্রম হিসেবে দেখলে এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব পুরোপুরি বোঝা যায় না। মূলত জাকাত সম্পদের একটি অংশকে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণির দিকে প্রবাহিত করার ‘প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা’।

অর্থাৎ সমাজে যদি বিপুল সম্পদ অল্প কয়েকজনের হাতে জমা হয়, তাহলে জাকাত সেই সম্পদের একটি নির্দিষ্ট অংশকে সমাজের অন্য অংশে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা তৈরি করে।

ইসলামে দান আছে; কিন্তু শুধু দাননির্ভর সমাজ নয়

রাসুল (সা.) সম্পদের সামাজিক দায়িত্ববোধের প্রতি গভীর গুরুত্ব দিয়েছেন। সহিহ মুসলিমে আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) বর্ণনা করেন, এক সফরে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘যার কাছে অতিরিক্ত বাহন আছে, সে যেন যার বাহন নেই, তাকে তা দেয়। আর যার কাছে অতিরিক্ত খাদ্য আছে, সে যেন যার খাদ্য নেই, তাকে তা দেয়।’

আবু সাঈদ (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) সম্পদের বিভিন্ন প্রকারের কথা বলতে থাকলেন। তখন তাঁদের মনে হলো, প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদে কারও একক অধিকার নেই। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৭২৮)

হাদিসটির শিক্ষা হলো, নিজের প্রয়োজনের বাইরে সম্পদের সঙ্গে সামাজিক দায়িত্বও যুক্ত।

এখানে ইসলামের লক্ষ্য মানুষকে চিরকাল দানের ওপর নির্ভরশীল করে রাখা নয়। একজন মানুষের জন্য সবচেয়ে সম্মানজনক অবস্থান হলো, সে নিজের শ্রম ও দক্ষতার মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারে।

সুতরাং দারিদ্র্য দূর করার প্রশ্নে ইসলামের চিন্তা শুধু ‘ধনী দেবে, গরিব নেবে’—এখানে সীমাবদ্ধ নয়। ব্যবসা, অংশীদারত্ব, শ্রম, উৎপাদন ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টিও ইসলামি অর্থনৈতিক কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সম্পদের কেন্দ্রীকরণ নিয়ে ইসলামের আলোচনায় সুদের প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ। কোরআন সুদকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে, ‘আল্লাহ ব্যবসাকে বৈধ করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ২৭৫)

এবং সতর্ক করেছে, ‘যদি তোমরা তা পরিত্যাগ না করো, তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা জেনে নাও।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ২৭৯)

ইসলামি অর্থনীতির দৃষ্টিতে অর্থনৈতিক লেনদেনে লাভের সঙ্গে ঝুঁকিরও সম্পর্ক থাকা উচিত। একজন ব্যক্তি ব্যবসায় বিনিয়োগ করলে লাভের সম্ভাবনা থাকবে, আবার লোকসানের ঝুঁকিও থাকবে।

কিন্তু ঋণদাতা সব সময় নির্ধারিত অতিরিক্ত অর্থ পাওয়ার অধিকারী হবে, আর ব্যবসার সব ঝুঁকি ঋণগ্রহীতার ওপর বর্তাবে, ইসলাম এ কাঠামোকে গ্রহণ করেনি।

ইসলামের আপত্তি একটি মৌলিক কাঠামোর প্রতি যে পুঁজির মালিক ঝুঁকি ছাড়াই নিশ্চিত বৃদ্ধি পাবে, অথচ যাঁর পুঁজি নেই তিনি অর্থনৈতিক প্রয়োজন মেটাতে গিয়ে আরও ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়বেন।

এই কারণেই ইসলামি অর্থনীতিতে মুশারাকা ও মুদারাবার মতো অংশীদারত্বমূলক ধারণাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সম্পদ কয়েকজনের হাতে কেন্দ্রীভূত হওয়ার অন্যতম পথ হলো বাজারের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি প্রয়োজনীয় পণ্য বাজার থেকে তুলে নিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে এবং পরে বেশি দামে বিক্রি করে, তাহলে পুরো সমাজ তার ক্ষতি বহন করে।

রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মজুতদারি করে, সে গুনাহগার।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৬০৫)

আজকের ভাষায় সিন্ডিকেট, বাজার কারসাজি ও একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণের সব রূপকে একই ফিকহি সংজ্ঞার মধ্যে ফেলা যাবে না। তবে হাদিসটির মূলনীতি স্পষ্ট যে মানুষের প্রয়োজনকে ব্যবহার করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সম্পদ অর্জন ইসলামের অর্থনৈতিক নৈতিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এখানে রাষ্ট্রের দায়িত্বও গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম বাজারকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণমুক্ত রেখে রাঘববোয়ালদের হাতে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে না। আবার অপ্রয়োজনীয়ভাবে প্রতিটি ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তে রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের কথাও বলে না। বাজারে প্রতারণা, জুলুম, মজুতদারি ও অন্যায্য নিয়ন্ত্রণ দেখা দিলে জনস্বার্থ রক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে।

সম্পদের কেন্দ্রীকরণ নিয়ে আলোচনায় শ্রমিকের অধিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকানা কয়েকজনের হতে পারে, কিন্তু উৎপাদনপ্রক্রিয়ায় শ্রম দেন অনেক মানুষ। কোম্পানির মুনাফা বাড়লেও সেই প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের জীবনমান একই জায়গায় স্থির থাকবে, এমন ধারণা ইসলামি ন্যায়বোধের সঙ্গে সহজে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের অধীনস্থরা তোমাদের ভাই; আল্লাহ তাদের তোমাদের অধীন রেখেছেন।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৫৪৫)

এরপর রাসুল (সা.) তাদের খাদ্য ও পোশাকের ব্যাপারে দায়িত্বশীল আচরণের নির্দেশ দিয়েছেন। (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)

এই শিক্ষার আধুনিক অর্থনৈতিক তাৎপর্য হলো, শ্রমিককে উৎপাদনের একটি সংখ্যা বা খরচের খাত হিসেবে দেখা যাবে না। তার শ্রমের সঙ্গে তার মানবিক মর্যাদা ও অধিকারও যুক্ত। এ কারণে ইসলামি অর্থনীতির আলোচনায় ন্যায্য মজুরি, সময়মতো পারিশ্রমিক এবং শ্রমের শোষণ বন্ধ করার বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তরাধিকার: সম্পদকে এক হাতে আটকে না রাখা

সম্পদবণ্টনের ক্ষেত্রে ইসলামের উত্তরাধিকার আইনও বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

কোরআন উত্তরাধিকারীদের জন্য নির্দিষ্ট অংশ নির্ধারণ করেছে। একজন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার সম্পদ ইচ্ছামতো একজনের হাতে দিয়ে যাওয়ার সুযোগ ইসলাম সীমিত করেছে। কোরআন বলছে, ‘আল্লাহ তোমাদের সন্তানদের ব্যাপারে তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন...’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১১)

এরপর সন্তান ও অন্যান্য উত্তরাধিকারীর অংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। উত্তরাধিকার ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পদ প্রজন্মের পর প্রজন্ম একটি ব্যক্তির হাতে জমে থাকার পরিবর্তে পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ তৈরি হয়। তা সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক সমতা তৈরি করে না বটে, আর ইসলাম সেটি লক্ষ্যও করেনি। মানুষের শ্রম, যোগ্যতা ও অর্থনৈতিক সাফল্যের পার্থক্য থাকবে। কিন্তু সম্পদ যাতে ক্রমাগত সংকুচিত হয়ে একটি ক্ষুদ্র বংশ বা গোষ্ঠীর মধ্যেই আবদ্ধ না থাকে, উত্তরাধিকার আইন সে ক্ষেত্রে একটি স্বাভাবিক বণ্টনপ্রক্রিয়া তৈরি করে।

আধুনিক অর্থনীতির বড় একটি সাংস্কৃতিক সমস্যা হলো সীমাহীন ভোগের আকাঙ্ক্ষা। অর্থনীতির সাফল্য প্রায়ই মাপা হয় মানুষ কত বেশি কিনছে, কত বেশি ব্যয় করছে এবং বাজার কত দ্রুত বড় হচ্ছে—এসব দিয়ে।

কোরআন এ মানসিকতার একটি গভীর সমালোচনা করেছে। বলা হয়েছে, ‘প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদের গাফিল করে রেখেছে।’( সুরা আত-তাকাসুর :১)

মানুষের প্রয়োজন আছে, উন্নত জীবনযাপনের আকাঙ্ক্ষাও স্বাভাবিক। ইসলাম দারিদ্র্যকে আদর্শ বানায়নি। কিন্তু সম্পদ বৃদ্ধি যদি মানুষের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হয়ে যায় এবং অন্যের অধিকার, সামাজিক দায়িত্ব ও ন্যায়বিচারকে পেছনে ফেলে দেয়, তাহলে সেই সম্পদ মানুষের জন্য কল্যাণের বদলে নতুন বৈষম্য তৈরি করতে পারে।

ইসলাম কি সবাইকে সমান সম্পদের মালিক বানাতে চায়—এই প্রশ্নের উত্তর হলো, না। ইসলাম ব্যক্তিগত মালিকানা স্বীকার করে। কেউ তার মেধা, শ্রম ও ব্যবসায়িক দক্ষতার কারণে অন্যের চেয়ে বেশি সম্পদের মালিক হতে পারেন। ইসলামের সমস্যা সেখানে নয়।

ইসলামের প্রশ্ন হলো, সেই সম্পদ কীভাবে অর্জিত হয়েছে? সেখানে অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে কি না? সম্পদ কি সমাজে প্রবাহিত হচ্ছে, নাকি একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর মধ্যেই আবর্তিত হচ্ছে?

এ কারণেই ইসলামের অর্থনৈতিক কাঠামোয় একদিকে রয়েছে ব্যক্তিগত মালিকানা ও ব্যবসার স্বাধীনতা, অন্যদিকে রয়েছে জাকাত, উত্তরাধিকার, সুদ নিষিদ্ধকরণ, মজুতদারির বিরোধিতা, শ্রমিকের অধিকার এবং দরিদ্রের প্রতি সামাজিক দায়িত্ব।

এই নীতিগুলোকে একসঙ্গে দেখলে বোঝা যায়, ইসলাম সম্পদ সৃষ্টির বিরুদ্ধে নয়; বরং সম্পদ সৃষ্টি এবং সম্পদের ন্যায্য প্রবাহ দুয়ের মধ্যে ভারসাম্য চায়।

সূত্র: প্রথম আলো

সম্পর্কিত সংবাদ