যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ থাকা মিয়ানমারের জান্তা প্রেসিডেন্ট কীভাবে প্রতিবেশীদের আনুকূল্য আদায় করছেন
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১০:০১ AM

মিয়ানমারের সেনা অভ্যুত্থানের নেতা থেকে প্রেসিডেন্ট হওয়া মিন অং হ্লাইংকে গত সেপ্টেম্বরে মালয়েশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানায় দেশটির সরকার। তখন দেশটি জোর দিয়ে বলেছিল, এই সফরের অর্থ মিন অং হ্লাইংয়ের সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়া নয়। মালয়েশিয়ার এক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, দেশটিতে থাকা মিয়ানমারের শরণার্থী ও অভিবাসীদের ‘দীর্ঘদিনের সমস্যা’ সমাধান করাই এ সফরের উদ্দেশ্য।
কিন্তু গত সপ্তাহে মিন অং হ্লাইং যখন কুয়ালালামপুরে পৌঁছান, তখন তাঁকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অভ্যর্থনায় ছিল গার্ড অব অনারও। ২০২১ সালে এই সাবেক সেনাপ্রধানের ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে মিয়ানমারে যে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছিল, তা এখনো চলছে।
গত বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, মিয়ানমার সরকার নিজ খরচে তাদের নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নিতে প্রস্তুত। মালয়েশিয়ায় শরণার্থীবিরোধী মনোভাব বাড়তে থাকায় এ বক্তব্য দেশটির মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মালয়েশিয়ায় মিয়ানমারের প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার নাগরিক রয়েছেন। তাঁদের অধিকাংশই নিপীড়িত রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর সদস্য।
মিন অং হ্লাইং বলেন, ‘আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তাঁদের ফিরিয়ে নিতে আমি নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠাব।’
অন্যদিকে মিয়ানমারকে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানে আবার যুক্ত করতে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন আনোয়ার ইব্রাহিম। ১১ সদস্যদেশের এই আঞ্চলিক জোট মিন অং হ্লাইংকে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকগুলোতে অংশ নিতে দেয়নি। কারণ, তিনি জোটের শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেননি।
‘ফাইভ পয়েন্ট কনসেনসাস’ নামে পরিচিত ওই পরিকল্পনার জোরালো সমর্থক ছিল মালয়েশিয়া। এতে সহিংসতা বন্ধ এবং সংঘাতে জড়িত পক্ষগুলোর মধ্যে ‘গঠনমূলক সংলাপের’ আহ্বান জানানো হয়েছে।
মিয়ানমারে পাঁচ বছর ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে। বিভিন্ন পর্যবেক্ষক সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, এই যুদ্ধে ১ লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ৩৫ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
আনোয়ার ইব্রাহিম সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমারকে এই অঞ্চলের দেশগুলোর অংশ হিসেবে ফিরিয়ে নিতে কোনো প্রকার পক্ষপাত ছাড়াই মালয়েশিয়া সম্ভাব্য সবকিছুই করবে। বিশেষ করে আসিয়ানের প্রেক্ষাপটে এ উদ্যোগ নেওয়া হবে।
গত এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর মিন অং হ্লাইংয়ের সফর করা পঞ্চম আসিয়ান দেশ মালয়েশিয়া। এর আগে ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি প্রেসিডেন্ট হন। ওই নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দলগুলোকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তিনি থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওস সফর করেছেন।
মালয়েশিয়া সফর শেষে দেশে ফেরার পর মিন অং হ্লাইংয়ের মুখপাত্র জানান, পরবর্তী সফরের গন্তব্য হতে পারে ইন্দোনেশিয়া ও ব্রুনেই।
ইউনিভার্সিটি অব নটিংহ্যামের এশিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অনারারি গবেষণা সহযোগী ব্রিজেট ওয়েলশ বলেন, ‘মিন অং হ্লাইংকে নিয়ে মালয়েশিয়ার এই অবস্থান বদল জান্তা সরকারের বিরোধিতার যে দেয়াল ছিল, তা ভেঙে দিয়েছে।’
ব্রিজেট ওয়েলশের মতে, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও যেসব আঞ্চলিক নেতা মিন অং হ্লাইংকে স্বাগত জানিয়েছেন, তাঁরা মানবাধিকারের চেয়ে বাস্তববাদী স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
ওয়েলশ বলেন, বিষয়টি আসিয়ান ও মিয়ানমার—উভয়ের জন্যই নেতিবাচক। এই সফর মিয়ানমার সংকট সমাধানের কোনো বাস্তব পথ দেখাচ্ছে না। উল্টো আন্তর্জাতিকভাবে সামরিক জান্তাকে একধরনের বৈধতা দিচ্ছে, যা খোদ মিয়ানমারের ভেতরেই তাদের নেই। ফলে এই সংকট আরও বাড়তে পারে।
মিন অং হ্লাইংয়ের এই গ্রহণযোগ্যতা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা শুধু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। এপ্রিলের পর থেকে তিনি ভারত, চীন, রাশিয়া ও বেলারুশ সফর করেছেন। প্রতিটি সফরেই তিনি তাঁর সরকারকে স্থিতিশীল এবং ‘গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে চলেছে’ বলে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। পাশাপাশি বাণিজ্য ও অবকাঠামো খাতে চুক্তির প্রস্তাবও দিয়েছেন।
এমনকি যুক্তরাষ্ট্রও এখন জান্তা প্রধানের জন্য আলোচনার দরজা খুলে দিয়েছে বলে মনে হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স গত সপ্তাহে জানিয়েছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মিন অং হ্লাইংয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ওয়াশিংটন তাঁর সরকারের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা শুরু করেছে।
২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো যে নির্মম নির্যাতনের কারণে সাত লাখের বেশি মানুষ পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র এ ঘটনাকে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছিল। সেই জান্তা সরকারের সঙ্গেই এখন আলোচনায় বসছে ওয়াশিংটন।
রয়টার্স জানায়, মিয়ানমার থেকে পরিচালিত অনলাইন প্রতারণা চক্রগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করতেই মূলত এ আলোচনা চলছে। এসব চক্রের ফাঁদে পড়ে মার্কিনরা শতকোটি ডলার হারিয়েছেন।
ইয়াঙ্গুনের তামপাদিপা ইনস্টিটিউটের পরিচালক খিন জও উইন বলেন, আন্তর্জাতিক বৈধতা পাওয়ার এ লড়াইয়ে মিন অং হ্লাইংকে পরোক্ষভাবে সাহায্য করছে চীন, ভারত ও থাইল্যান্ড। এই তিন দেশের সঙ্গেই মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে। আর মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধের আঁচ ওই তিন দেশেও লেগেছে। যেমন সীমান্তে সংঘর্ষ, বাণিজ্য বন্ধ হওয়া এবং নতুন করে শরণার্থীর অনুপ্রবেশ।
খিন জও উইন আরও বলেন, মিয়ানমারের ভবিষ্যতের সঙ্গে ওই তিন প্রতিবেশী দেশের সবচেয়ে বেশি স্বার্থ জড়িত। তাই তারা চায় সামরিক জান্তা সরকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাক। অন্যদিকে রাশিয়া ও বেলারুশ হলো মিয়ানমারের প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ। বিনিময়ে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনকে সরাসরি সমর্থন জানিয়েছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। সব মিলিয়ে এখানে প্রত্যেকেই আসলে নিজেদের সুবিধার বিষয়টি মাথায় রেখে খেলছে।
ক্রমবর্ধমান এই কূটনৈতিক স্বীকৃতি কিন্তু মিয়ানমারের ভেতরের রক্তক্ষয়ী সংঘাত থামাতে কোনো ভূমিকা রাখছে না। জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং সব সশস্ত্র গোষ্ঠীকে শান্তি আলোচনার জন্য ডাকলেও দেশের বড় অংশজুড়ে এখনো যুদ্ধ চলছে।
রাখাইন, চিন, কাচিন, কারেন রাজ্য ও সাগাইং অঞ্চলে বিদ্রোহী ও জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কাছে হারানো এলাকা ফিরে পেতে জান্তা বাহিনী নতুন করে বড় অভিযান শুরু করেছে। বিমান হামলা বাড়িয়ে এবং জোরপূর্বক হাজার হাজার তরুণকে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দিয়ে তারা শক্তি সঞ্চয় করেছে। এমনকি চীন নিজেদের সীমান্তে যুদ্ধ থামাতে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও শক্তিশালী জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা করে দিয়েছে।
তবে নেদারল্যান্ডসের সাবেক কূটনীতিক লেটিটিয়া ভ্যান ডেন অ্যাসুম মনে করেন, জান্তা বাহিনীর পক্ষে পুরো দেশের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়া অসম্ভব। তিনি বলেন, ‘এর জন্য বিশাল সেনাবাহিনীর প্রয়োজন। বর্তমানে তাদের যে সেনা রয়েছে, তা দিয়ে কেবল নির্দিষ্ট কিছু এলাকা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এ কারণেই মিন অং হ্লাইং দেশের কিছু অংশে সাময়িক যুদ্ধবিরতির ওপর জোর দিচ্ছেন, যাতে সেখান থেকে সেনা সরিয়ে অন্য যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো যায়।’
ভ্যান ডেন অ্যাসুম আসিয়ান দেশগুলোর ভূমিকা নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যে জান্তা প্রধানের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে, তাঁর সঙ্গেই আসিয়ান দেশগুলো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা করছে। এটি বেশ অবাক করার মতো বিষয়।
মিয়ানমার দীর্ঘদিন ধরেই রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। ফলে জান্তা সরকার আদৌ তাদের নিজেদের নাগরিক হিসেবে গ্রহণ করবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তা ছাড়া রোহিঙ্গাদের মূল ভূখণ্ড রাখাইন রাজ্যের বেশির ভাগ এলাকাই এখন জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। ফলে রোহিঙ্গারা ফিরে কোথায় যাবে, সেটিও বড় প্রশ্ন। এ কারণে পুরো বিষয়টি এখনো অত্যন্ত ঘোলাটে বলেই মনে করছেন ভ্যান ডেন অ্যাসুম।
মিন অং হ্লাইং আন্তর্জাতিক মহলকে দেখাতে আরও কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন।
গত আগস্টে থাইল্যান্ড সফরের ঠিক আগে তিনি আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটিকে (আইসিআরসি) অং সান সু চির সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেন। ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে ৮১ বছর বয়সী এই নোবেল বিজয়ীকে সম্পূর্ণ যোগাযোগহীন অবস্থায় বন্দী রাখা হয়েছিল। ৩ আগস্ট আইসিআরসির সেই সাক্ষাতের মাধ্যমেই বহু বছর পর সু চির প্রথম ছবি জনসমক্ষে আসে।
তবে সিডনি ইউনিভার্সিটির রিসার্চ ফেলো সাই কি জিন সোয়ে এটিকে একটি ‘কম খরচে বড় প্রচার পাওয়ার লোকদেখানো উদ্যোগ’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, এই সাক্ষাতের মাধ্যমে শুধু নিশ্চিত হওয়া গেছে, অং সান সু চি বেঁচে আছেন, এর বেশি কিছু নয়।’ তিনি মনে করিয়ে দেন, আসিয়ান নেতারা যখন জান্তা প্রধানের জন্য লালগালিচা বিছাচ্ছেন, তখনো মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিমান হামলা একটুও কমেনি। ২৮ সেপ্টেম্বর রাখাইন রাজ্যের একটি বাজারে বিমান হামলায় প্রায় ৫০ জন নিহত হন।
সাই কি জিন সোয়ে বলেন, ক্রমাগত এই হামলা প্রমাণ করছে, প্রতিবেশীদের এই নরম কূটনীতি জান্তা সরকারকে থামাতে কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি।
সাই কি জিন সোয়ে সতর্ক করে বলেন, বিদেশ সফরের মাধ্যমে পাওয়া স্বীকৃতি সামরিক জান্তাকে আরও বেপরোয়া করে তুলবে। তিনি বলেন, কোনো ধরনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা বা বাধা না থাকায় এবং চীন ও রাশিয়ার কাছ থেকে অস্ত্র ও জ্বালানি পাওয়ায় সামরিক বাহিনী সহিংসতা আরও বৃদ্ধির সাহস পাচ্ছে।
মিয়ানমারের ভবিষ্যৎ এখন অনেকটাই নির্ভর করছে আসিয়ানের বর্তমান ও আগামী দিনের সভাপতি ফিলিপাইন ও সিঙ্গাপুরের ওপর। এশিয়া হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লেবার অ্যাডভোকেটসের পরিচালক ফিল রবার্টসন বলেন, এ দুই দেশকে অবশ্যই শক্ত অবস্থান নিতে হবে, যেন বাকি দেশগুলোর চাপে মিয়ানমার জান্তা সহজেই আসিয়ানে পুনর্বাসন না পায়।
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নকে কেবল আসিয়ানের ওপর ভরসা না করে জান্তা সরকারের ওপর বিমান জ্বালানি নিষিদ্ধ করার মতো সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার আহ্বান জানান ফিল রবার্টসন। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে জবাবদিহি নিশ্চিত করা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি জরুরি। তা হতে পারে বিভিন্ন দেশের নিজস্ব আইনে মামলা চালানোর মাধ্যমে অথবা মিয়ানমারের জেনারেলদের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের জন্য পাঠানোর বিষয়ে অগ্রগতির মধ্য দিয়ে।
সূত্র: প্রথম আলো
সম্পর্কিত সংবাদ
ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভে যোগ দিল থালাপতি বিজয়ের টিভিকে
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:৫২ AM · প্রথম আলো
এডেন বিমানবন্দরে হামলা, যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের ৫০০ মিটার দূরে পড়ল ক্ষেপণাস্ত্র
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১০:২৭ AM · প্রথম আলো
যোগদানের ৫ দিনেই চাকরি হারালেন ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি, কোন কোন বিতর্কে জড়ালেন তিনি
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ৯:১০ AM · প্রথম আলো
কলকাতার দুর্গাপূজায় থিমের চমক, হাওয়া মহল থেকে ভ্যাটিকান সিটি
১৬ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:৩০ AM · প্রথম আলো
ভারতে নিজ দেশেই ‘বিদেশি’ সাহিদারা: ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ পড়ার রহস্য কী
১৬ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:০০ AM · প্রথম আলো
