অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ে অঘটন...
২৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১২:১৫ AM

‘উইকার’ ছবিতে আলেকজান্ডার স্কারসগার্ড ও অলিভিয়া কোলম্যানের অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিং ছিল রোমাঞ্চকর, আবার হাস্যকরও। দৃশ্য ধারণের সময় বিছানা ভেঙে যাওয়ার ঘটনা শুটিংয়ের অভিজ্ঞতাকে আরও মজার করে তোলে।
ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিংয়ে অস্বস্তি, জড়তা কিংবা বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে সেই দৃশ্যেই যদি হঠাৎ বিছানা ভেঙে যায়, তাহলে গম্ভীর থাকা কঠিন। হলিউডের নতুন ছবি ‘উইকার’-এ এমনই এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন অভিনেতা আলেকজান্ডার স্কারসগার্ড ও অলিভিয়া কোলম্যান। তাঁদের অন্তরঙ্গ দৃশ্য ধারণের সময় বিছানা ভেঙে যাওয়ার ঘটনা সেটে হাসির উপলক্ষ হয়ে উঠেছিল।
সম্প্রতি মার্কিন সাময়িকী পিপলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন স্কারসগার্ড। তাঁর ভাষায়, দৃশ্যটি ছিল অনেকটা রোলারকোস্টারে চড়ার মতো। বিছানাটি কখন ভেঙে পড়বে, তা নিয়ে তাঁরা আগে থেকেই একধরনের উত্তেজনা অনুভব করছিলেন। শেষ পর্যন্ত যখন সেটি সত্যিই ভেঙে যায়, তখন হাসি থামানো কঠিন হয়ে পড়ে।
কোলম্যানও জানিয়েছেন, বিছানা ভেঙে পড়ার মুহূর্তে তাঁরা প্রাণ খুলে হেসেছিলেন। তাঁর মতে, ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে হাস্যরস থাকলে অস্বস্তি অনেকটাই কমে যায়। বাস্তব জীবনের মতো স্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়। অন্যথায় অতিরিক্ত গম্ভীরভাবে প্রেমের দৃশ্য ধারণ করা তাঁর কাছে ভীষণ বিব্রতকর মনে হতো।
ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের পেছনে ছিল অন্য চ্যালেঞ্জ‘উইকার’-এ স্কারসগার্ডের চ্যালেঞ্জ অবশ্য শুধু অন্তরঙ্গ দৃশ্যের সময় হাসি সামলানো ছিল না। ছবিতে তাঁকে অভিনয় করতে হয়েছে সম্পূর্ণ বেত দিয়ে তৈরি এক পোশাক পরে, যা পরে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করাও সহজ ছিল না।
অভিনেতা জানিয়েছেন, শুটিংয়ের প্রথম কয়েক দিনেই তাঁদের ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ধারণ করতে হয়েছিল। তখনো পোশাকটির সীমাবদ্ধতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছিল। পোশাকটি ছিল বাস্তব উপকরণে তৈরি; এতে কম্পিউটারনির্ভর দৃশ্যের ব্যবহার ছিল খুবই সামান্য। ফলে শরীরের নড়াচড়া, দৃশ্যের পরিকল্পনা ও অভিনয়ের ধরন—সবকিছুতেই বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন হয়েছিল।
কোলম্যান মজা করে বলেছেন, স্কারসগার্ড যেভাবে পরিস্থিতি সামলেছেন, তাতে তিনি মুগ্ধ। তাঁর নিজের ক্ষেত্রে হলে হয়তো বারবার বিরতি চাইতেন। জবাবে স্কারসগার্ডও রসিকতা করে জানান, বাইরে থেকে অভিযোগ না করলেও ভেতরে ভেতরে তিনি কষ্ট পাচ্ছিলেন।
কেমন ‘উইকার’-এর গল্প?অ্যালেক্স হিউস্টন ফিশার ও এলেনর উইলসনের লেখা চিত্রনাট্যটি নির্মিত হয়েছে ‘দ্য উইকার হাজব্যান্ড’ নামের একটি ছোটগল্প অবলম্বনে। ছবিতে কোলম্যান অভিনয় করেছেন এক নিঃসঙ্গ গ্রামবাসী নারীর চরিত্রে। সঙ্গী পাওয়ার আশায় তিনি এক ঝুড়িশিল্পীকে দিয়ে নিজের জন্য বেতের তৈরি স্বামী বানান। সেই অদ্ভুত স্বামীর চরিত্রেই দেখা যাবে স্কারসগার্ডকে। ছবিতে পিটার ডিংকলেজও অভিনয় করেছেন।
স্কারসগার্ড জানিয়েছেন, ছবিটির প্রতি তাঁর আকর্ষণের কারণ শুধু অদ্ভুত কাহিনি নয়; গল্পের কোমলতা, রোমান্টিক আবহ ও হাস্যরসও তাঁকে টেনেছে। তাঁর মতে, ছবির চরিত্রগুলোকে গতানুগতিক ছাঁচে তৈরি করা হয়নি। এমনকি বিরোধী চরিত্রটির অবস্থানও বোঝার সুযোগ রয়েছে দর্শকের।
৩০ অক্টোবর থেকে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে দেখা যাবে।
সূত্র: প্রথম আলো
সম্পর্কিত সংবাদ
দাম্পত্যে সন্দেহ থেকে মধ্যবিত্তের গল্প, আলোচনায় কোন পাঁচ নাটক
২৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ৯:৪৫ AM · প্রথম আলো
নতুন চরিত্র খুঁজছেন পূর্ণিমা, এবার কী হতে চান নায়িকা
২৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ৮:৪৪ AM · বাংলা ট্রিবিউন
ডেটিং অ্যাপে পরিচয়, তারপর খুন, পর্দায় জাদুবিদ্যার ভয়ংকর ফাঁদের গল্প
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১০:৩০ AM · প্রথম আলো
হলের পরিবেশ ঠিক হলে দর্শক অবশ্যই সিনেমা হলে যাবে: শরীফুল রাজ
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ এ ৯:৩০ AM · প্রথম আলো
